|

মিঠামইন ও বালিখলার ফেরি বন্ধ থাকায় ঝুকিতে যাত্রী পারাপার

Published: Wed, 18 May 2022 | Updated: Wed, 18 May 2022

অজিত দত্ত অষ্টগ্রাম (কিশোরগঞ্জ) : কয়েকদিন যাবত উজানের পানি আর পাহাড়ের বৃষ্টির ঢলে নেমে আসা নিম্ন অঞ্চলের নদী নালা খাল বিল এমন কি খেয়া পারাপারের একমাত্র ফেরি মিটামইন ধলেশ্বরী নদীর উপরে ও করিমগঞ্জের বালীখলা ফেরি দুটি বন্ধ হয়ে যায়। এ রাস্তায় প্রতিদিন প্রায় ৪থেকে ৫হাজার যাত্রী চলাচল করে থাকে। 

এই দুটি ফেরিতে জীবনের ঝুকি নিয়ে যাত্রীরা প্রতিদিন ছোট ছোট কাটের ইঞ্জিন চালিত বোটের মাধ্যমে চলাচল করতে হচ্ছে। অন্যদিকে বিকল্পধারার রাস্তা না থাকায় এসকল রোডের ব্যাস্ততা দিন দিন বেড়েই চলছে। 

জানা যায় কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম ইটনা মিটামইন হাওর অধ্যুষিত উপজেলার বছরে সর্ব্বোচ্চ তিন থেকে চার মাস সাবমাসেবল রোডে জেলা সহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চলাচল সম্ভব। অন্যথায় আট মাস পানির নিচে বসবাস করে দূর্গম পাড়ী দিয়ে ইঞ্জিন চালিত নৌকায় দেশের এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় চলাচলের একমাত্র অবলম্বন। 

এ থেকে উত্তরনের জন্য দেশের বৃহও প্রকল্প উড়াল সেতুর বিকল্প নেই। হাওর বাচানো ও হাওরের একমাত্র জনগনের সু-রক্ষা নিশ্চিত করতে জেলা শহরের সাথে যোগাযোগের একমাত্র বিকল্পধারা উড়াল সেতু। পাশাপাশি অকাল বন্যা ও পাহাড়ি ঢলে নিম্ন-অঞ্চলের দূর্ভোগ লাগব করতে নদী খননের বিকল্প নেই। 

অন্যদিকে প্রতিদিন অষ্টগ্রাম থেকে বাজিতপুর পাটলীঘাট নৌকাযোগে ঝুকিতে ২কিলোমিটার নদী পথ অতিক্রম করে যাতায়াত করছে হাজার হাজার যাত্রী। এক কথায় বলা চলে হাওরের উন্নয়নের প্রধান লক্ষনীয় যোগাযোগ ব্যবস্থা নদীপথ কে পরিকল্পিতভাবে গ্রহন করার প্রয়োজন। নতুবা হাওরাঞ্চলের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের বিকল্প থাকবেনা।

আইআর /