|

কুড়িগ্রামে খাদ্যসামগ্রী পেল তিন হাজারপরিবার

Published: Wed, 23 Jun 2021 | Updated: Wed, 23 Jun 2021

মোঃ জাহিদ হাসান, কুড়িগ্রাম: করোনাকালীন সময়ে কুড়িগ্রামে ৩ হাজার কর্মহীন ও ভাঙনকবলিতদের পাশে দাঁড়াল বসুন্ধরা গ্রুপ। বুধবার (২৩ জুন) সদর উপজেলার হলোখানা, রাজারহাটের বিদ্যানন্দ, উলিপুরের হাতিয়া ও চিলমারী উপজেলার রমনা ইউনিয়নে প্রথম দিনে দেড় হাজার পরিবারকে চাল, ডাল, আটা ও তেল সরবরাহ করা হয়।

এসব বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম-৩ আসনের সংসদস সদস্য অধ্যাপক এমএ মতিন, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারমান মো. জাফর আলী, চিলমারী উপজেলা চেয়ারম্যান শওকত আলী সরকার বীরবিক্রম, কুড়িগ্রাম সদর ইউএনও নিলুফা ইয়াছমিন, কুড়িগ্রামের পৌর মেয়র কাজিউল ইসলাম, জেলা আওয়ামীলীগের স-হসভাপতি সাঈদ হাসান লোবান, জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ রাশেদুজ্জামান বাবু, কালেরকণ্ঠ শুভ সংঘের পরিচালক জাকারিয়া জামান, কালেরকণ্ঠ রংপুর ব্যুরো প্রধান স্বপন চৌধুরী, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি আব্দুল খালেক ফারুক, কুড়িগ্রাম কালেরকণ্ঠ শুভ সংঘের সভাপতি খায়রুল আনম, সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ হারুন-অর-রশিদ মিলন প্রমুখ।

বসুন্ধরা গ্রুপের উদ্যোগে এবং দৈনিক কালেরকণ্ঠ পত্রিকার শুভ সংঘের ব্যবস্থাপনায় কুড়িগ্রাম জেলার ৯টি উপজেলায় দুই দিনে ১০টি স্থানে পর্যায়ক্রমে ৩ হাজার হতদরিদ্র পরিবারকে এসব খাদ্য সমাগ্রি বিতরণ করা হচ্ছে।

করোনাকালীন সময়ে কর্মহীন, নদীভাঙ্গা ও হতদরিদ্র পরিবারের লোকজন বন্যার পূর্বে এসব খাদ্য সমাগ্রী পেয়ে খুবই খুশি। 

সদর উপজেলার হলোখানা ইউপি চেয়ারম্যান উমর ফারুক জানান, এসময় গ্রামে কাজকর্ম নেই। তারমধ্যে করোনার প্রভাব। এসময় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে অসহায় দরিদ্র মানুষকে খাদ্য সামগ্রী বিতরণের সুযোগ করে দেয়ায় আমাদের জন্য খুবই উপকার হয়েছে।

ত্রাণ বিতরণকালে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিলুফা ইয়াছমিন জানান, করোনা পরিস্থিতির সময় কুড়িগ্রামের অসহায় মানুষের কথা চিন্তা করে বসুন্ধরা গ্রুপ যে ত্রাণ সহায়তা দিচ্ছে। এজন্য তাদেরকে অনেক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।

এ ব্যাপারে জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও সাবেক এমপি মো. জাফর আলী রাজারহাট উপজেলার বিদ্যানন্দ ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে ত্রাণ বিতরণকালে জানান, এলাকার ভাঙনকবলিত পরিবারের জন্য খুবই উপকার হয়েছে। এসময় কাজ নেই। এই খাদ্য সামগ্রী তাদের পরিবারে হাসি ফোঁটাবে।

আইআর /