|

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু

Published: Thu, 02 Dec 2021 | Updated: Thu, 02 Dec 2021

অবশেষে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (০২ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় সারা দেশে একযোগে এ পরীক্ষা শুরু হয়। এই পরীক্ষা কার্যক্রম ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে। এইচএসসি/ডিপ্লোমা ইন বিজনেস স্টাডিজ, এইচএসসি (ভোকেশনাল), এইচএসসি (বি.এম), ডিপ্লোমা ইন কমার্স ও আলিম পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৩ লাখ ৯৯ হাজার ৬৯০ জন।

গত বছরের তুলনায় এ বছর মোট পরীক্ষার্থী বেড়েছে ৩৩ হাজার ৯০১ জন। বৃদ্ধির শতকরা হার ২ দশমিক ৪৮ শতাংশ। মোট প্রতিষ্ঠান বেড়েছে ১২০টি এবং কেন্দ্র বেড়েছে ২০টি।

এবার এইচএসসি পরীক্ষায় ছাত্র সংখ্যা ৫ লাখ ৬৩ হাজার ১১৩ জন। ছাত্রী সংখ্যা ৫ লাখ ৭৪ হাজার ৯০৪ জন। আলিম পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১ লাখ ১৩ হাজার ১৪৪ জন। এরমধ্যে ছাত্র সংখ্যা ৬১ হাজার ৭৩৮ জন এবং ছাত্রী সংখ্যা ৫১ হাজার ৪০৬ জন। ভোকেশনালে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১ লাখ ৪৮ হাজার ৫০৩ জন। এরমধ্যে ছাত্র সংখ্যা ১ লাখ ৪ হাজার ৮২৭ জন। ছাত্রী সংখ্যা ৪৩ হাজার ৬৪২ জন।

পরীক্ষাকেন্দ্রগুলোতে সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিতের লক্ষ্যে বুধবার (০১ ডিসেম্বর) বেশ কিছু নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে পরীক্ষার্থী ব্যতীত জনসাধারণের প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এ আদেশ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার দিনগুলোতে (পরীক্ষা চলাকালীন) বলবৎ থাকবে।

এদিকে পরীক্ষা সংক্রান্ত নির্দেশনায় বলা হয়েছে, করোনা মহামারির কারণে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও পরীক্ষাসংশ্লিষ্ট সবাইকে যথাযথভাবে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে পরীক্ষার আয়োজন করতে হবে। সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে দেড় ঘণ্টা করে অনুষ্ঠিত হবে প্রতিটি পরীক্ষা। পরীক্ষাকেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সঙ্গে একজনের বেশি অভিভাবক আসতে পারবেন না। পরীক্ষা সম্পন্ন করতে যেসব নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে-

অনিবার্য কারণে কোনো পরীক্ষার্থী নির্ধারিত সময়ের পর পরীক্ষাকেন্দ্রে আসলে রেজিস্টারে নাম, রোল নম্বর, প্রবেশের সময় ও বিলম্বের কারণ উল্লেখ করতে হবে। বিলম্বে আসা পরীক্ষার্থীদের তালিকা প্রতিদিন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট বোর্ডকে জানাতে হবে।

কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ব্যতীত পরীক্ষাকেন্দ্রে অন্য কেউ মোবাইল ফোন বা মোবাইল ফোনের সুবিধাসহ ঘড়ি, কলম বা অননুমোদিত ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করতে পারবেন না।

কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছবি তোলা ও ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধাবিহীন একটি সাধারণ (ফিচার) ফোন ব্যবহার করতে পারবেন।

অননুমোদিত ফোন বা ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।

ট্রেজারি/থানা/নিরাপত্তা হেফাজত হতে প্রশ্নপত্র গ্রহণ ও পরিবহন কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা, শিক্ষক, কর্মচারীরা কোনো ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না। প্রশ্নপত্র বহনের কাজে কালো কাঁচযুক্ত মাইক্রোবাস বা এরূপ কোনো যানবাহন ব্যবহার করা যাবে না।

প্রত্যেক কেন্দ্রের জন্য একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বা কর্মকর্তা (ট্যাগ অফিসার) নিয়োগ দিতে হবে। ট্রেজারি/থানা/নিরাপত্তা হেফাজত হতে কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা তার মনোনীত উপযুক্ত প্রতিনিধি বা ট্যাগ অফিসারসহ প্রশ্নপত্র গ্রহণ করে পুলিশ প্রহরায় কেন্দ্রে নিয়ে যাবেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বা কর্মকর্তার (ট্যাগ অফিসার) উপস্থিতি ব্যতীত প্রশ্ন বের করা যাবে না বা বহন করা যাবে না।

ট্রেজারি/থানা/নিরাপত্তা হেফাজত হতে পরীক্ষার কেন্দ্রে বহুমুখী নির্বাচনী প্রশ্নসহ রচনামূলক বা সৃজনশীলের সব সেটের প্রশ্ন নিতে হবে।

প্রশ্নের সেট কোড পরীক্ষা শুরুর ২৫ মিনিট আগে জানানো হবে। সেই অনুযায়ী নির্ধারিত সেট কোডে পরীক্ষা নিতে হবে।

কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ট্যাগ অফিসার), কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও পুলিশ কর্মকর্তার উপস্থিতি ও স্বাক্ষরে বিধি অনুযায়ী প্রশ্নপত্রের প্যাকেট খুলতে হবে।

পরীক্ষা চলাকালীন ও পরীক্ষা অনুষ্ঠানের আগে বা পরে পরীক্ষাকেন্দ্রে পরীক্ষার্থী ও পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিরা ব্যতীত অন্যদের প্রবেশ সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ থাকবে। এ সময়ে কেন্দ্রে প্রবেশকারী অননুমোদিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।

অনিবার্য কারণবশত কোনো পরীক্ষা বিলম্বে শুরু করতে হলে যত মিনিট পরে পরীক্ষা শুরু হবে পরীক্ষার্থীদের সে সময় থেকে যথারীতি প্রশ্নপত্রে উল্লিখিত নির্ধারিত সময় দিতে হবে।

-এমজে