|

আ. লীগের সম্প্রীতির মিছিল তামাশামাত্র: ছাত্র ইউনিয়ন

Published: Tue, 19 Oct 2021 | Updated: Tue, 19 Oct 2021

মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) সারাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মিছিল কর্মসূচি ঘোষণা করেছে আওয়ামী লীগ। বিগত ১২ বছর ধরে মৌলবাদকে তোষণ করে, সাম্প্রদায়িক হামলার উস্কানি এবং ইন্ধন দিয়ে এমন কর্মসূচি পালন করাকে জনগণের সাথে তামাশা বলে মনে করে ছাত্র ইউনিয়ন। 

এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি মো. ফয়েজউল্লাহ এবং সাধারণ সম্পাদক দীপক শীল বলেন, ‘বিগত ১২ বছর ধরে সাম্প্রদায়িক হামলার উস্কানি এবং ইন্ধন জুগিয়ে এসেছে আওয়ামী লীগ সরকার। রামু, নাসিরনগর, লালমনিরহাট, শাল্লা, কুমিল্লা, চাঁদপুর, চট্টগ্রামসহ সারাদেশে সাম্প্রদায়িক হামলায় আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতাদের অংশগ্রহণ দেখা গেছে। সাম্প্রদায়িক হামলার সাথে জড়িতদের ‘পুরস্কার’ হিসেবে নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।’

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, ‘দলীয় কর্মীদের এবং প্রশাসনকে কাজে লাগিয়ে ভোটারবিহীন নির্বাচন করে ক্ষমতায় আসতে পারে আওয়ামী লীগ, কিন্তু দলীয় কর্মী এবং প্রশাসনদের দিয়ে আওয়ামী লীগ সাম্প্রদায়িক হামলা রুখতে পারে না! রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের গতিবিধি সরকারি গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরা নখদর্পনে রাখে, অথচ টানা ৩/৪ দিন ধরে সাম্প্রদায়িক হামলার কোন তথ্য তাদের কাছে ছিল না! সাম্প্রদায়িক হামলার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ না করে, প্রশাসনকে নীরব ভূমিকা পালনে বাধ্য করে, মিডিয়া ব্ল্যাকআউট করে দিয়ে নীরবে সাম্প্রদায়িক হামলার পটভূমি তৈরি করে দিয়েছে আওয়ামী লীগ সরকার।

তারা বলেন, বাংলাদেশের আদিবাসী, সনাতন, বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের রক্তের দাগ আওয়ামী লীগের হাতে লেগে রয়েছে। নীরবে সাম্প্রদায়িক হামলা ঘটতে দিয়ে, হামলায় ইন্ধন জুগিয়ে সারাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মিছিল আয়োজন জনগণের সাথে তামাশার নামান্তর। মানুষের ন্যূনতম মানবিক মর্যাদা অবশিষ্ট নেই এখন। ক্ষমতার বাইরের বলয়ে থাকা সাধারণ জনগণ এদেশে এখন দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে। এই দুঃসহ অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে ঐক্যবদ্ধ লড়াইয়ের বিকল্প নেই। দেশের আপামর জনগণকে আমরা সেই লড়াইয়ের প্রস্তুতি গ্রহণের আহ্বান জানাই।’

 

ডব্লিউইউ