|

মিঠামইনে ত্রাণ বিতরণ, বৃক্ষ রোপণ ও টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন

Published: Fri, 30 Jul 2021 | Updated: Fri, 30 Jul 2021

বিজয় কর রতন, মিঠামইন, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি: মুজিব জন্মশতবর্ষ উপলক্ষ্যে কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইন উপজেলা সদর ইউনিয়নের ঘোড়াউত্রা নদীর তীরে রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ পল্লীতে প্রধানমন্ত্রীর আশ্রায়ন প্রকল্পের উপকারভোগী ৬৯টি পরিবারের মাঝে শুক্রবার, ৩০ জুলাই ত্রাণ সামগ্রী বিতরণসহ টিকাদান কর্মসূচি ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন কিশোরগঞ্জ-০৪ আসনের এমপি রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক। 

মিঠামইন উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসক মো. শামীম আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন মিঠামইন সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এডভোকেট শরীফ কামাল, জেলা পরিষদের সদস্য বাবু সমীর কুমার বৈষ্ণব, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রভাংশু সোম মহান, পুলিশ সুপার মাশরুকুর রহমান খালেদ, জেলা প্রশাসক শামীম আলম প্রমুখ। 

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আব্দুল্লাহ আল সাফি, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. রাফিউল ইসলাম, উপজেলা প্রকৌশলী ফাইজুর রাজ্জাক, উপজেলা জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা আকাশ বসাক, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোল্লা খলিলুর রহমান, আইসিটি কর্মকর্তা ইমাম মেহেদী, ওসি জাকির রাব্বানী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নাজমুল ইসলাম সরকার প্রমুখ। 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রভাংশু সোম মহান বলেন, হামিদ পল্লী আশ্রায়ন প্রকল্পে প্রধানমন্ত্রীর ৬৯টি ঘর ছাড়াও রাজস্ব তহবিলের ২টি ঘর, আল খায়ের ফাউন্ডেশনের ৩টি ঘর, জেলা পরিষদ থেকে ১টি ঘর ও ডিএসকে থেকে ২টি ঘর বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এছাড়াও কেওয়ারজোড় ইউনিয়নে আরও ২০টি ঘরের নির্মাণ কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। 

এসময় প্রধান অতিথি রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক এমপি বলেন, আশ্রায়ন প্রকল্পের ঘর খুব সুন্দর হয়েছে। যদি বরাদ্দ একটু বেশি পাওয়া যেত তবে আর সিসি পিলার স্থাপন করে ঘর নির্মাণ করলে আরো টেকসই হত। এ পর্যন্ত এখানে কোন অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যায় নি। ভবিষ্যতে হামিদ পল্লীতে আশ্রায়ন প্রকল্পের ঘর বরাদ্দ দেয়া হবে গৃহহীনদের জন্য। 

প্রতিটি পরিবারের উদ্দেশ্যে তিনি বডলেন, এ সকল ঘরের সঠিকভাবে যত্ন নিতে হবে। পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। হামিদ পল্লীতে একটি মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে।  ভবিষ্যতে একটি মন্দিরও করা হবে।  বিদ্যুতায়ন করা হয়েছে। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে উপকারভোগীদের জন্য ৭টি টিউবওয়েল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। পরে তিনি ৫৮নং ঘরের সামনে একটি গাছের চারা রোপণ করে বৃক্ষ রোপণের উদ্বোধন করেন। 

পরে তিনি উপস্থিত উপকারভোগীদের সাথে কথা বলেন। তারা ঘর ও জায়গা পেয়ে খুব খুশি। তাদের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, “কোরবানি ঈদের সময় প্রতিটি পরিবারকে ত্রাণ সামগ্রী ও কোরবানির মাংস বিতরণ করা হয়েছে।” তিনি রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ পল্লীকে একটি মডেল পল্লী হিসেবে রুপান্তর করবেন বলে আশ্বাস প্রদান করেন। হামিদ পল্লী ছাড়াও অন্যান্য ইউনিয়নে ভূমিহীনদের মাঝে জায়গা ও ঘর নির্মাণ করার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে তিনি জানান।

এ প্রকল্পে যারা অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন তাদের মধ্যে মিঠামইন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রভাংশু সোম মহান, সদর ইউপি চেয়ারম্যান এডভোকেট শরীফ কামাল, পি আই ও মোল্লা খলিলুর রহমানসহ জড়িতদের ধন্যবাদ সহ কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। গৃহহীন থাকবে না কেহ বলে তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জ্ঞাপনসহ সুস্বাস্থ্য কামনা  করেন।

 

ডব্লিউইউ