|

পাহাড়ী ঢলে কিশোরগঞ্জের ধনু ও ঘোরাউএা নদীতে পানি বৃদ্ধি

Published: Wed, 18 May 2022 | Updated: Wed, 18 May 2022

বিজয় কর রতন, মিঠামইন (কিশোরগঞ্জ): পাহাড়ী ঢলে পানি বৃদ্ধি পেয়ে ঘোরাউএা ও ধনু নদী সহ বিভিন্ন নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। নদীর তীর উপচে একের পর এক হাওরের ডুবো সড়ক তলিয়ে যাচ্ছে। জেলা শহরের সাথে মিঠামইন, ইটনা, অষ্টগ্রাম সহ কয়েকটি উপজেলায় সংযোগ স্হাপনকারী সড়ক গুলো বন্ধ হয়ে গেছে। 

মিঠামইন বালিখলা ২ টি ফেরির সংযোগ সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় যানচলাচল বিঘ্ন ঘটছে। ফেরি বন্ধ থাকার কারণে, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ঘোরাউএা ও ধনু নদী পাড় হচ্ছে, ছোট ছোট ইঞ্জিন চালিত নৌকা নিয়ে। 

বুধবার (১৮ মে) সকালে মিঠামইন থেকে কিশোরগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিয়ে ঘোরাউএা নদী ইঞ্জিন চালিত বোটে সিএনজি নিয়ে বালিখলা ফেরি ঘাট যাওয়ার পথে, রাস্তা পানিতে তলিয়ে যাওয়ার কারণে, যাত্রিরা সিএনজি নিয়ে ফেরত আসছে। 

মিঠামইনের ঘাগড়ার সিএনজি,চালক রেজাউল জানান, যাত্রি নিয়ে মিঠামইন ফেরি ঘাট থেকে ফেরত আসছি।গোপদীঘির রাস্তায় নদীর তীর উপছে পানি হাওরে ডুকে গেছে। যাত্রিরা পড়ছেন চরম বিপাকে।মিঠামইন থেকে নদী পথে বালিখলা যেতে ৪ ঘন্টা সময় লাগে।যেখানে গাড়ী দিয়ে যেতে ৪৫ মিনিট সময় লাগতো। যাত্রিরা চরম দুর্ভোগে পড়েছে। মালামাল পরিবহনে ও সমস্যা হচ্ছে। 

ঘাগড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, মোখলেছুর রহমান ভুইঁয়া জানান, স্বাভাবিক  বর্ষার পানি আসতে আরও কমপক্ষে ২০/২৫ দিন সময় লাগতো।কিন্তু এ বছর আগাম বন্যা আসার কারণে এলাকার লোকজন চরম দুর্ভোগে পড়েছে। সড়ক পথে যোগাযোগ ব্যাবস্হা অচল হয়ে পড়েছে। ২টি নদী ঘোরাউএা ও ধনু নদীতে ইঞ্জিন চালিত নৌকায় ১০ টাকার ভাড়া ২০ টাকা নিচ্ছে। নদী পাড় হতে মাএ ৫ মিনিট সময় লাগে। মালামাল পরিবহন করতে পারছে না। 

চামড়া থেকে মিঠামইন আসতে ৪ ঘন্টা সময় লাগে ইঞ্জিন চালিত ট্রলারে।সিলেটের সুরমা, কুশিয়ারার পানি নামা অব্যহত রয়েছে। এ পানি নদী উপচে হাওরে ডুকে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে। 

কিশোরগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড, সিলেটের পানি উন্নয়ন বোর্ড বিভাগীয় কার্যালয়ের বরাত দিয়ে  জানান, সুরমা নদীর পানি ১৪৪ সেন্টিমিটার এবং কুশিয়ারার পানি  ১৫৫ সেন্টিমিটার বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ পানি আমাদের এলাকায় প্রবেশ করছে।এর জন্য ধনু ও ঘোরাউএা, বৌলাই নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে-তীর উপছে হাওরে পানি প্রবেশ করছে।

আইআর /