|

ডিআইজি হলেন মিঠামইনের কৃতি সন্তান হারুন অর রশিদ

Published: Mon, 16 May 2022 | Updated: Mon, 16 May 2022

বিজয়কর রতন, মিঠামইন (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি: বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত উপ-মহা পুলিশ পরিদর্শক হতে উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক (ডিআইজি) পদে পদোন্নতি পেয়েছেন। 

কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইন উপজেলার হোসেনপুর গ্রামের সন্তান মোঃ হারুন অর-রশিদ (বিপিএম বার) (পিপিএম বার) বর্তমানে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার হিসাবে কর্মরত। 

নারায়ণগঞ্জের সাবেক সফল পুলিশ সুপার মোঃ হারুন অর-রশিদকে উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক (ডিআইজি) পদে পদন্নোতি প্রদান করা হয়েছে। একই সাথে পুলিশের এই কর্মকর্তা ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের  যুগ্ম পুলিশ কমিশনার ‍হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এর পূর্বে গাজীপুর জেলায় পুলিশ সুপার হিসাবে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। 

বুধবার (১১ মে)  স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ হারুন অর-রশিদ বর্তমানে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের যুগ্ম পুলিশ কমিশনার হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিবি তার যোগ্যতা, দক্ষতা, ত্যাগ ও নিষ্ঠার জন্য পুরস্কার হিসাবে ৩ বার বাংলাদেশ পুলিশের সর্বোচ্চ পদক বাংলাদেশ পুলিশ মেডেল (বিপিএম) ও ২ বার প্রেসিডেন্ট পুলিশ মেডেল (পিপিএম) পদকে ভূষিত হন। 

গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জে দায়িত্ব পালনকালে মাদক কারবারি চোরাচালানকারী, ভূমিদস্যু ও চাদাবাজ সহ সকল অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করেন (ডিআইজি) হারুন অর রশিদ। নারায়ণগঞ্জে মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা, হকার ও অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ সহ তার সকল জনবান্ধব কর্মকাণ্ডের পদক্ষেপ নিয়ে তিনি জনগণের নিকট ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হন। যেকোনো সমস্যার সমাধানের জন্য জনসাধারণ তার কার্যালয়ে সরাসরি গিয়ে কথা বলতেন এবং তিনি তাৎক্ষণিক সংশ্লিষ্ট থানার অফিসার ইনচার্জদের আদেশ দিয়ে সমস্যা সমাধান করে দিতেন। যার ফলস্বরূপ নারায়ণগঞ্জ শহরের বিভিন্ন সড়কের মোড়ে মোড়ে মোঃ হারুন অর রশিদ এর ছবিসহ ব্যানার দেখা যায়। সেখানে বলিউড সিনেমার নায়কের সঙ্গে তুলনা করে নারায়ণগঞ্জ বাসী উপাধী দেন। 

′′বাংলার সিংহ′′ তার ভয়ে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় অপরাধী চক্র, চাদাবাজ, মাদক ব্যাবসায়ীরা নারায়ণগঞ্জ ছেড়ে গেছেন। গণমাধ্যম কর্মীরাও তাকে পছন্দ করতেন। বর্তমানে (ডিএমপির) গোয়েন্দা বিভাগে অত্যন্ত দক্ষতার সহিত চৌকশ পুলিশ কর্মকর্তা হিসাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি বিনা সংঘর্ষে হেফাজত ইসলামের বির্তকিত ও আলোচিত নেতা মামুনুল হককে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন। তিনি তার চাকরি জীবনে বিভিন্ন সময়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার জন্য একটি মহলের চক্রান্তের শিকার হয়ে ছিলেন, কিন্তু তার একনিষ্ঠতা ও সততার ফল স্বরূপ সব সময় তিনি ষড়যন্ত্র কারীদের হঁটিয়ে দেশ ও জনগণের সেবায় নিজেকে প্রমাণিত করেছেন। তারই ফলস্বরুপ আজ এই পদোন্নতি। 

সকলের প্রত্যশায় নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা ও গাজীপুরের মানুষের আস্থা ও সুনাম অর্জনকারী বাংলার সিংহ খ্যাত ডিআইজি হারুন বরাবরের মতোই সাধারণ মানুষের জন্য নিঃস্বার্থ ভাবে কাজ করে যাবেন।

 

ডব্লিউইউ