|

ফলের দামে আগুন!

Published: Wed, 08 May 2019 | Updated: Wed, 08 May 2019

রোজায় ইফতারে ফলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। শুধু ফ্রেশ ফলই নয়, ফল দিয়ে তৈরি হয় বাহারি সব শরবত। আর ইফতারে শীতল শরবতের প্রবল আকাঙ্ক্ষাকে ভর করে বেড়েছে সব ধরনের ফলের দাম। দেশীয় কোনো কোনো ফলের দাম বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ। আর সব ফলেরই দাম বেড়েছে এক চতুর্থাংশ।

প্রথম রোজায় রাজধানীর প্রায় সব ফলের দোকানেই ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে। দম ফেলার ফুসরত নেই বিক্রেতাদের।

কারওয়ানবাজারের ফলের আড়তে তরমুজ ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা পিস, আনারশ ৬০ থেকে ৭০ টাকা, পেঁপে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা, বাঙ্গি ৮০ থেকে ১০০ এবং বেল ৮০ থেকে ৩০০ টাকা পিসে বিক্রি হতে দেখা গেছে। আর দেশি পেয়ারার দাম কেজিতে বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা। এদিকে সবুজ আপেল ১৯০ থেকে ২০০, ফুজি আপেল ১৮০ টাকা, নাশপাতি ৩০০ টাকা, আঙ্গুর ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, মাল্টা ১৫০ টাকা, খেজুর ২০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হতে দেখা যায়।

কারওয়ানবাজার ফল আড়তের আল্লাহর দান ফল বিতানের কর্মচারী ফারুক বলেন, ফলের দাম গত দুই-তিন দিনে বেড়েছে। প্রথম রোজায় নতুন করে দাম বাড়েনি। বেচাকেনায় সন্তুষ্ট বলেও জানান এই বিক্রেতা।

ফারুক আরো জানান, কেজিপ্রতি আপেলের দাম বেড়েছে অন্তত ৪০ টাকা। কেজিতে মাল্টার দাম বেড়েছে ৩০ টাকা। নাশপাতি ৭০ টাকা ও আঙ্গুর ১০০ টাকা। আগে লাল আঙ্গুর ৪০০ টাকায় বিক্রি হলেও এখন ৫০০ টাকা ও সবুজ আঙ্গুর ৩০০ টাকায় বিক্রি হলেও মঙ্গলবার বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকায়। সবচেয়ে বেশি বেড়েছে কলার দাম। আগে ডজনপ্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকার মধ্যে পাওয়া গেলেও গতকাল বিক্রি হয় ৬০ থেকে ১২০ টাকা।

তরমুজ বিক্রেতা হানিফ বলেন, সপ্তাহ খানেক আগেও যে তরমুজ আমরা ১০০ টাকায় কিনতে পেরেছি, তা কিনতে এখন ২০০ টাকার মতো খরচ পড়ছে। তাই দামও বেশি। ফার্মগেট থেকে ফল কিনতে আসা সোহেল তানভীর বলেন, সব ফলের দামই বেড়েছে। তরমুজের দাম তো প্রায় দ্বিগুণ।

ফার্মগেট ও মহাখালীর আরো কয়েকটি ফলের বাজার ঘুরে বাজারের ঊর্ধ্বমুখী একই চিত্র পাওয়া গেছে।

অআই