|

দেশে পর্যটন বিকাশে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

Published: Tue, 27 Sep 2022 | Updated: Tue, 27 Sep 2022

অভিযাত্রা ডেস্ক: পর্যটনশিল্পে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনায় পরিবেশের ভারসাম্য ও দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য অক্ষুণ্ন রাখার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। সেই সঙ্গে বাংলাদেশকে বিপুল পর্যটন সম্ভাবনাময় হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার (২৭ সেপ্টেম্বর) ‘বিশ্ব পর্যটন দিবস ২০২২’ উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে তাঁরা এসব কথা বলেছেন। খবর বাসস’র।

বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে মঙ্গলবার ‘বিশ্ব পর্যটন দিবস ২০২২’ পালিত হচ্ছে জেনে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘এ উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই’।
আবদুল হামিদ বাণীতে বলেন, পর্যটন মানুষের একটা সহজাত প্রবৃত্তি। ভ্রমণের মাধ্যমে মানুষ একে অপরের সান্নিধ্যে আসে। ভিন্ন ভিন্ন সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও সভ্যতা সম্পর্কে জানতে পারে।

তিনি বলেন, প্রতিবছর বিশ্ব পর্যটন দিবস পালনের মাধ্যমে সবাইকে পর্যটনের সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন করার পাশাপাশি টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জন ও জাতীয় অর্থনীতিতে পর্যটনের অবদান সম্পর্কে অবহিত করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাণীতে বলেন, ‘নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সমৃদ্ধ ইতিহাস, বৈচিত্র্যপূর্ণ সংস্কৃতি আমাদের দেশকে পরিণত করেছে একটি বহুমাত্রিক আকর্ষণসমৃদ্ধ অনন্য পর্যটন গন্তব্যে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সুন্দরবন, পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার, পার্বত্য চট্টগ্রামের অকৃত্রিম সৌন্দর্য, সিলেটের সবুজ অরণ্যসহ আরো অনেক প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি, বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, ঐতিহাসিক এবং প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানসমূহ এবং অতিথি পরায়ণ মানুষ শুধু দেশীয় নয়, বিদেশি পর্যটক ও দর্শনার্থীদের কাছেও সমান জনপ্রিয় এবং সমাদৃত। 

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ‘বিশ্ব পর্যটন দিবস-২০২২’ যথাযথভাবে উদযাপিত হচ্ছে, জেনে আমি আনন্দিত। জাতিসংঘ বিশ্ব পর্যটন সংস্থা কর্তৃক নির্ধারিত এবারের প্রতিপাদ্য ‘পর্যটনে নতুন ভাবনা’ কোভিড-১৯ পরবর্তী বিশ্বের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে ক্ষেত্রে অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে বলে আমি মনে করি।’

ও/এসএ/