|

খাদ্যশস্য পরিবহনে অনিয়ম রোধে দুদকের ৮ সুপারিশ

Published: Tue, 23 Feb 2021 | Updated: Tue, 23 Feb 2021

অভিযাত্রা ডেস্ক : খাদ্য বিভাগের খাদ্যশস্য পরিবহনে অনিয়ম রোধ ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতে ৮টি সুপারিশ দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের সুপারিশের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নিতে খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি এই চিঠি পাঠানো হয়।

দুদকের চিঠির উদ্ধৃতি দিয়ে চিঠিতে বলা হয়েছে, দুর্নীতি দমন কমিশন থেকে প্রাপ্ত পত্রে দুদক পরিচালিত একটি অভিযোগ অনুসন্ধানকালে খাদ্য অধিদপ্তরের খাদ্যশস্য পরিবহনের ক্ষেত্রে কিছু অনিয়ম ও অস্বচ্ছতা পরিলক্ষিত হয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে আরও বলা হয়, খাদ্য বিভাগের খাদ্যশস্য পরিবহনে অনিয়ম রোধ ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতে ৮টি সুপারিশ বাস্তবায়ন করা যেতে পারে বলে কমিশন মনে করে। সুপারিশগুলো হলো-

১. পথখাত মজুতের প্রকৃত হিসাব নিরূপণের জন্য খাদ্য অধিদপ্তরের চলাচল, সংরক্ষণ ও সাইলো বিভাগকে ডিজিটালাইজড করাসহ দেশের সকল এলএসডি, সিএসডি ও সাইলোতে পর্যাপ্ত সংখ্যক কম্পিউটার, প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ও দক্ষ জনবলের ব্যবস্থা করা।

২. সারাদেশে অনলাইনভিত্তিক খাদ্য মজুত ব্যবস্থাপনা ও মনিটরিং কার্যক্রম এবং ই-সার্ভিস ব্যবস্থাপনা প্রবর্তনের উদ্যোগ গ্রহণ।

৩. সারাদেশের পথখাতের প্রকৃত চিত্র প্রাপ্তির জন্য দেশের সকল এলএসডি, সিএসডি ও সাইলোতে মজুত খাদ্যশস্যের হিসাব অফলাইন রিপোর্টিংয়ের পরিবর্তে অনলাইন রিপোর্টিং চালু করা।

৪. সাপ্তাহিক ইনপুটের পরিবর্তে দৈনন্দিন ইনপুটের ব্যবস্থা গ্রহণ।

৫. ইনভয়েস ইস্যু করার সময় ডিটি (ডিপারচার টাইম) এবং ইটিএ (এক্সপেক্টেড টাইম অব অ্যারাইভাল) উল্লেখ করার নির্দেশনা জারি এবং খাদ্যশস্য পৌঁছাতে নির্ধারিত সময়ের ৬ ঘণ্টার বেশি বিলম্ব হলে বিলম্ব শুল্ক আদায়ের ব্যবস্থা করা।

৬. খাদ্যশস্য পরিবহন ও মনিটরিং কার্যক্রমের ওপর পর্যাপ্ত মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা।

৭. দেশের সকল এলএসডি, সিএসডি ও সাইলোরর মজুত নিয়মিত নিরীক্ষা করে প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়সহ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রেরণ।

৮. চাল/গমের বস্তায় কার্যকর ও ব্যবহার উপযোগী আধুনিক প্রযুক্তির বারকোড বা কিউআর কোড ব্যবহারের উদ্যোগ গ্রহণ।

এ অবস্থায়, দুর্নীতি দমন কমিশনের পত্রের আলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে অনুরোধ জানানো হয় খাদ্য মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে।

ও/এসএ/