|

রুশো-কক ঝড়ের পর নরকিয়া-শামসিতে বিধ্বস্ত টাইগাররা

Published: Thu, 27 Oct 2022 | Updated: Thu, 27 Oct 2022

অভিযাত্রা ডেস্ক: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ১০৪ রানের বিশাল ব্যাবধানে হেরেছে বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার (২৭ অক্টোবর) সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে টসে হেরে বোলিংয়ে নামে বাংলাদেশ। ২০৬ রানের বিশাল টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নামা টাইগারদের ইনিংস থেমে যায় ১০১ রানে।

দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটিংয়ের শুরুতে অবশ্য ধাক্কা দিয়েছিলেন আগের ম্যাচের সফল বোলার তাসকিন আহমেদ। ইনিংসের ষষ্ঠ বলেই উইকেটের পেছনে নূরুল হাসানের হাতে ক্যাচ দিকে প্রোটিয়া অধিনায়ক টেম্বা বাভুমাকে বাধ্য করেন তিনি। দলীয় সংগ্রহ তখন মাত্র ২ রান। 

এর পর উইকেটে নামা রাইলি রুশো যেন টাইফুন বইয়ে দেন বাংলাদেশি বোলারদের ওপর। অপর ওপেনার কুইন্টন ডি কককে নিয়ে মাত্র ১৩ দশমিক ৩ ওভারে গড়ে তোলেন ১৬৮ রানের জুটি। ১৫তম ওভারের তৃতীয় বলে কক ফিরে যান ব্যক্তিগত ৬৩ রানে। পার্টটাইম স্পিনার আফিফের বলে সৌম্যর হাতে ক্যাচ দেন তিনি।

শতরানের কাছাকাছি পৌঁছে কিছুটা ধীরস্থিরভাবে খেলতে থাকেন রুশো। চতুর্থ উইকেট হিসেবে তিনি যখন বিদায় নেন দলের রান তখন ১৯৭। সাকিবের বলে লিটন দাসের হাতে ক্যাচ দেওয়ার আগে খেলেন ৫৬ বলে ১০৯ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস। এতে ছিল ৮টি ছয় ও ৭টি চারের মার। শেষ পর্যন্ত ৫ উইকেটে ২০৫ রানে থামে দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস।

বিশাল রান তাড়ায় উড়ন্ত শুরু করে বাংলাদেশও। কাগিসো রাবাদার করা প্রথম ওভারেই ১৭ রান তোলেন দুই ওপেনার শান্ত ও সৌম্য। এর মধ্যে শেষ দুই বলে একই কায়দায় ছক্কা মারেন সৌম্য। পার্নেলের দ্বিতীয় ওভার থেকে আরও ৮ রান আসে।  তবে তৃতীয় ওভারের প্রথম বলেই সৌম্যকে কিপার ডি ককের শিকারে পরিণত করেন এনরিখ নরকিয়া। চতুর্থ বলেই শান্তকে বোল্ড করেন তিনি।

আর দাঁড়াতে পারেনি বাংলাদেশের ইনিংস নিয়মিত বিরতিতে পড়তে থাকে উইকেট। এক প্রান্তে সামান্য লড়াইয়ের আভাস ছিল লিটন কুমার দাসের ব্যাটে। ৩৯ রানে অধিনায়ক সাকিব আল হাসান, ৪৭ রানে আফিফ হোসেন, ৬৬ রানে মেহেদী হাসান মিরাজ, ৭১ রানে মোসাদ্দেক হোসেন ও ৭৬ রানে নূরুল হাসান সোহান আউট হন।

৮৫ রানে  অষ্টম ব্যাটার হিসেবে আউট হন লিটন কুমার দাস। এতে থেমে যায় ৩১ বলে ৩৪ রানের ইনিংস। অবশ্য এর আগেই বাংলাদেশের সব আশা শেষ। ১৭তম ওভারের তৃতীয় বলে নরকিয়ার বলে বোল্ড হন তাসকিন আহমেদ। এতেই শেষ হয় বাংলাদেশের ইনিংস। দলীয় সংগ্রহ তখন সব মিলিয়ে ১০১। জয়ের সঙ্গে ব্যবধান তখন ১০৪ রানের। ১০ রানে ৪ উইকেট শিকার করেন নরকিয়া। তাবরিজ শামসির শিকার ২০ রানে ৩টি।

ও/এসএ/