|

হিলি স্থলবন্দরে বেড়েছে চাল আমদানি, কমেছে দাম

Published: Sat, 18 Sep 2021 | Updated: Sat, 18 Sep 2021

মোঃ আব্দুল আজিজ, হিলি (দিনাজপুর) : দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে চাল আমদানি বেড়েছে। সেই সাথে খুচরা ও পাইকারী বাজারে কমেছে চালের দাম। এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রকারভেদে কেজিতে চালের দাম কমেছে ২ থেকে ৩ টাকা। 

দেশের বাজারে চালের দাম স্বাভাবিক রাখতে চলতি বছরের ২৮ই আগষ্ট থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে শুরু চাল আমদানি। আমদানি শুরুর প্রথম দিকে স্থানীয় বাজারে তেমন একটা প্রভাব না পড়লেও বর্তমানে কমতে শুরু করেছে আমদানিকৃত চালের দাম। এদিকে খুচরা বাজারে চালের দাম কমায় স্বস্তি ফিরেছে কিছুটা সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে।

হিলি স্থলবন্দরের চালের খুচরা ও পাইকারী বাজারের ঘুরে দেখা যায়, ভারত থেকে আমদানিকৃত স্বর্ণা ও স্বর্ণা-৫ জাতের চাল কেজিতে ২ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৪২ টাকা কেজি দরে, ৪৬ টাকা কেজি আটাশ চাল কেজিতে ২ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৪৪ টাকা দরে এবং সম্পা কাটারি কেজিতে ৩ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৫৪ টাকা দরে।

হিলি স্থলবন্দরের চাল বিক্রেতারা জানান, ভারত থেকে চাল আমদানিকারনে হিলি স্থলবন্দরের খুচরা ও পাইকারী বাজারে কমেছে চালের দাম। গত সপ্তাহের তুলনায় আজ শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) প্রতিটি চালের দাম কেজি প্রতি দুই থেকে তিন টাকা কমেছে। 

হিলি পানামা পোর্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অনন্ত কুমার চক্রবর্তী জানান, হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে চাল আমদানি স্বাভাবিক রয়েছে। দেশের বাজারে চালের দাম যেন বৃদ্ধি না হয় সেই জন্য বন্দরের ব্যবসায়ীরা বেশি বেশি চাল আমদানি করছে এবং পানামা পোর্ট আমদানিকৃত এসব চাল বন্দর থেকে দ্রæত ছাড়করণে ব্যবসায়ীদের সবধরনে সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে। 

হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন-উর রশিদ জানান, হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারকরা ৬০ হাজার মেট্টিক টন চাল আমদানির অনুমতি পেয়েছে। অনুমতি পাওয়ার পর তারা এলসি খুলেছে এবং ইতিমধ্যে বন্দরে চাল ঢুকছে। ভারত অভ্যন্তরে পাইপ লাইনে প্রচুর পরিমাণে চাল রয়েছে সে চাল গুলো কিছু দিনের মধ্যেই বন্দরে প্রবেশ করবে। 

আমদানি শুরুর দিকে মোকামগুলোতে চালের বেশ একটা চাহিদা ছিলো সেটা এখন আর নেই। চাল আমদনি অব্যহত থাকলে আরো দাম কমতে পারে বলেও জানান তিনি। 

হিলি শুল্ক ষ্টেশনের উপ কামশনার কামরুল ইসলাম জানান, গত ২৮ই আগষ্ট থেকে হিলি বন্দর দিয়ে চাল আমদানি শুরু হয়েছে। এখন পর্যন্ত এই বন্দর দিয়ে ৫ হাজার ৮শ ৯৫ টন চাল ছাড় দেওয়া হয়েছে। এ থেকে সরকারের রাজস্ব এসেছে ২ কোটি ৯৬ লাখ টাকা।

আইআর /