|

সৈয়দপুরে ল্যাম্ব প্লান শো’র মেয়াদ শেষ হওয়ায় শঙ্কিত

Published: Mon, 20 Sep 2021 | Updated: Mon, 20 Sep 2021

ওয়াহেদ সরকার, সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি: নীলফামারী সৈয়দপুর উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে কেনাডিয়ান অর্থে ল্যাম্ব প্লান শো-২ প্রকল্পের আওতায় ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে মাতৃ মঙ্গল ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের ধাত্রী ও আয়াদের প্রকল্প মেয়াদ বৃদ্ধি না হলে সুধী মহল শঙ্কিত হয়ে পড়েছে। 

জানা যায়, সৈয়দপুর উপজেলার খাতামধুপুর, বাঙ্গালীপুর, বোতলাগাড়ী, কামারপুকুর ও কাশিরাম বেল পুকুর ইউনিয়নে ল্যাম্ব শো-২ প্রকল্পের আওতায় প্রসূতি খালাসের জন্য ২ জন দক্ষ ধাত্রী ও ১  জন আয়া কর্মরত আছেন। এলাকার অসহায় ও গরিব মানুষেরা তাদের প্রসূতি খালাসের জন্য ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে এসে তারা বিনা পয়সায় সরকারি ভাবে ঔষধ পত্রের সেবা নেয়। প্রকল্পে কর্মরত মহিলারা সরকারি কোন সুযোগ-সুবিধা পায় না। এরা সকাল ৯টা হতে বিকেল ৪টা পর্যন্তু অবস্থান করে। এছাড়াও অনেক সময় দীর্ঘ রাত অবধি সেবা  করতে দেখা যায়। এরা কোন পারিশ্রমিক নেন না। চলতি সেপ্টেম্বর মাসে তাদের প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে। এজন্য সৈয়দপুর উপজেলার অনেক ইউনিয়নের সুধীজন প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার শঙ্কিত হয়ে পড়েছে। 

সূত্র জানায়, গত ৩ বছর আগে হঠাৎ করে এই প্রকল্পের মেয়াদ বন্ধ হয়ে গেলে স্থায়ীয় গণ্যমান্য ব্যক্তির আর্থিক সহায়তায় সামান্য ভাতা দিয়ে এ কর্মীদের নিয়োজিত রাখা হয়। পরে আবার ল্যাম্ব প্লান শো-২ প্রকল্পের আওতায় এটি চালু হয়। এ মাসে প্রকল্পটি শেষ হয়ে যাবে। এব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের কর্মকর্তা ডা. জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘‘আমরা এই প্রকল্পে মেয়াদ বাড়ানোর জন্য প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছি।’’ এছাড়াও  ল্যাম্ব প্লান শো-২ প্রকল্পের প্রকল্প কর্মকর্তা সাহেরা খাতুনের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, ২/১ দিন পরে বিষয়টি জানাতে পারবেন। 

গত রোববার রাতে উপজেলার বাঙ্গালীপুর ইউনিয়নের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে চড়ক পাড়া এলাকার লাইজু বেগম নামে এক গরিব প্রসূতি সেবা নিতে আসলে দক্ষধাত্রী মোসলেমা ইয়াসমিন ও মমিনা খাতুন এবং আয়া সালেহা খাতুন অনেক রাত অবধি সেবা দেন । প্রকল্প কর্মীদের মহানুভবতার বিষয়ে বিশিষ্ট সমাজ সেবক শামসুল হক সরকার তাদের ধন্যবাদ জানান এবং প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হবে জানতে পেরে কর্মীদের আর্থিক সুবিধা সহ প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছেন। প্রকল্পের কর্মীরাও এ খবর জানতে পেরে শঙ্কিত হয়ে পড়েছে। 

 

ডব্লিউইউ