|

ঘুরে দাড়ানোর চেষ্টা করছেন রায়গঞ্জের তাঁত মালিকেরা

Published: Tue, 26 Apr 2022 | Updated: Tue, 26 Apr 2022

মোঃ মোকাদ্দেস হোসাইন সোহান, রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ): করোনার কারনে বিগত দু’ দুবছরের ঘাটতি টা কাটিয়ে ওঠার চেস্টা করছেন সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জের বিভিন্ন এলাকার তাঁত মালিকেরা।বিশেষ করে দুই ঈদের আগের সময়টাই হলো তাঁত মালিকদের জন্য উপযুক্ত সময়। 

কারণ এ সময়টাতেই তাঁত মালিকদের তাঁত শ্রমিকদের তৈরি করা গামছা ও লুঙ্গির চাহিদা থাকে বেশ ভাল। আশপাশের পাইকারি ও খুচরা কাপড়ের হাটগুলো থাকে বেশ জমজমাট। বিশেষ করে এলাকার পাঁচলিয়া হাট। তাছাড়া এই হাটে শাড়ী, লুঙ্গী ও গামছার হাট নামে বেশ পরিচিত। 

অপর দিকে উপজেলার রায়গঞ্জের গ্রামপাঙ্গাসী কারিগরপাড়া গ্রামের মোঃ আব্দুল করিমের সাথে পাঁচলিয়া বাজারে দেখা হলে তিনি বলেন, দফায় দফায়  সুতা ও রঙের দাম বাড়ছে প্রায় দ্বিগুণ। বেশি দামে সুতা ও রঙ কিনে যে কাপড় তৈরি করছি, সেই কাপড়ের দাম সেই মোতাবেক বাড়েনি। 

তবে লোকসান না হলেও তেমন লাভের অংশ দেখতে পারছেন না বলে জানান এই তাঁত মালিক। 

উপজেলার গ্রামপাঙ্গাসী গ্রামের আরেক তাঁত মালিক মোঃ আমিনুল ইসলাম জানান, বিগত কয়েক বছর  আগেও আমার কারখানায় প্রায় ১৫ থেকে ২০ টি তাঁত চালু ছিল। অথচ বর্তমানে এই ঈদ মৌসুমেও কারখানায় মাত্র ৭/৮ টি তাঁত চালু রয়েছে। 

এর কারণ কি জানতে চাইলে তিনি জানান, এর প্রধান কারন অস্বাভাবিক হারে সুতা ও রঙের দাম বেড়ে যাওয়া। আর তাছাড়া দাম বেড়ে গেলেও আমাদের তৈরি করা কাপড়ের দাম তো আর  বাড়েনি। তারপরেও বর্তমান বিভিন্ন হাটে কাপড় বিক্রি করে একটুও হলেও করোনার ঘাটতি পুষিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন উপজেলার তাঁত মালিকেরা।

আইআর /