|

রহমান পাগলার-মুক্তিযোদ্ধা হবার গল্প

Published: Wed, 12 May 2021 | Updated: Wed, 12 May 2021

বয়স ৬৬ ছুই ছুই করছে। মাথায় টুপি। মুখে পাকা দাড়ি। কথা বলেন অনর্গল। বয়সের ভারে দেহ অনেকটাই দুর্বল। কথা কিছুটা জড়িয়ে যায়। তবু কথা বলেন সাধু-চলিত-আঞ্চলিক ভাষা মিশিয়ে অনর্গল। বাড়ী সিরাজগঞ্জ পৌর প্রান্ত সীমানার সন্নিকটে খোকশাবাড়ী ইউনিয়নের তেলকুপী গ্রামে।  নাম আব্দুল রহমান খান। কাছের লোকেরা তার দুরন্তপনায় আদর করে ডাকেন রহমান পাগলা । যৌবনে ছিলেন ৭১ এর যোদ্ধা। 

আব্দুল রহমান বেড়ে উঠেছিলেন তেলকুপীর এক অবস্থা সম্পন্ন গৃহস্থ পরিবারে। বাপ-চাচাদের মিলিয়ে এক সারিতে ১১টি চৌচালা টিনের ঘর। বাবার স্মৃতি ঝাপসা। মারা গেছেন সেই শৈশবে। বড় ভাইয়ের কর্তৃত্বে একান্নবর্তী সংসার।  পৈত্রিক কৃষি জমিতে যা উৎপাদন হতো তাতেই চলতো বার মাসের বছর। বাড়ীর উত্তর আর পূব পার্শ্বে পুকুর, পশ্চিম পার্শ্বে বাঁশঝাড়। সামনে ডানে বামে সারি বেঁধে ছিল আম, কাঁঠাল আর নারিকেল গাছ। বাড়ী থেকে প্রায় হাজার গজ মাটির পথ পেরুলেই পাকা কনক্রিটের রাস্তা। সেই রাস্তা ধরে পঞ্চাশ পয়সা দিলে রিকশায় একটানে পৌঁছে যেতেন শহরের ভিক্টোরিয়া স্কুলে। সব সময় রিকশায় যাওয়া হতো না। কখনো পায়ে হেঁটে, কখনো সাইকেলের প্যাডেল ঘুরিয়ে আসতেন ঐতিহ্যবাহী এই বিদ্যালয়ে। গ্রাম থেকে আসতেন শহরের বিদ্যালয়ে পড়তে কিন্ত পড়াশোনায় মন টিকতো না। পড়াশোনার চাইতে আগ্রহ ছিল নেতৃত্বে। সহপাঠীরা এগিয়ে দিতেন সকল কাজে মাতব্বরীতে। সখ ছিল ভাটিয়ালী আর পল্লীগীতি গানের। মন উৎফুল্ল হতো বাঁশের বাঁশিতে ঠোট লাগিয়ে সুর তুলতে। স্কুল ছুটিতে সেই বাঁশি হাতে নিয়ে ভরদুপুরে ছুটতেন গ্রামের পশ্চিমের নদীর ধারে। সুর তুলতেন- ‘মাঝি বায়া যাও রে অকুল দরিয়ার মাঝে’ কিংবা ‘ভাটিজানে ভাটিয়াল সুরে বাঁশিতে বাজাইয়া যাওরে মাঝি একবার চাও ফিরে’- এরকম পল্লী গানে। অথবা গভীর রাতে বেরিয়ে পড়তেন গ্রামের পাশের মাঠে। রাতের আলো-আঁধারিতে সুর তুলতেন বাঁশের বাঁশিতে। সেই বাঁশির সুর বাতাসে ভেসে যেত আশে পাশের গ্রামে। এর জন্য অনেক সময় তেড়ে আসতেন গ্রামের বয়স্করা। কিন্ত কোন কিছুতেই তাকে তার সুরের জগত থেকে সরাতে পারতো না। এমনিভাবেই বেড়ে উঠছিলেন পাগলা রহমান। 

উনসত্তরে ছিলেন তারুন্য পেরিয়ে যৌবনের প্রারম্ভে। সেই বয়সে অযুত যুবকের মতো তাকেও আন্দোলিত করতো তেজোদীপ্ত আসাদের রক্তমাখা শার্ট। কিশোর মতিয়ুরের আত্মাহুতি। উজ্জীবিত করতো বৃটিশ বিরোধী সংগ্রামে প্রীতিলতা, সুর্যসেনের জীবন। ভাটিয়ালি আর পল্লীগীতির সুর ছেড়ে গুনগুন করে গাইতেন প্রীতিলতার গান- ‘অন্ন হাতে ডাকছো মাগো ফিরে দেখার সময় নাই, ডাক দিয়েছে বঙ্গজননী সেথায় ছুটে যাই, বিজয় বেশে আসতে যদি পারি ফিরে, চরণধুলি নেবো বুকে তুলে, সেদিন মাগো আর্শীবাদ করো দু’ হাত তুলে।’ বাঁশের বাশিতে তুলতেন সেই গানের সুর। বাঁশির সুর বাতাসে তরঙ্গায়িত হয়ে চলে যেত পাশের গাঁয়ে। 

এলো ১৯৭১ সাল। সারা দেশ টালমাটাল। রাজনৈতিক জীবনে প্রচণ্ড উন্মাদনা। পাকিস্তানী শোষণ আর বঞ্চনার বিরুদ্ধে সোচ্চার বাঙালীরা। বাঙালীর সেই ঝড়ে হাওয়ার ঢেউ তরাঙ্গায়িত হয়ে পড়ে তৃণমূলের সমাজ জীবনে। সেই ঢেউয়ের উন্মাদনায় কৈশর যৌবনের সন্ধিক্ষণের এই মানুষটিও আন্দোলিত হলেন। লণ্ডভণ্ড হয়ে গেল বাঁশের বাঁশিতে সুর তোলা আর নদীর তীরে বসে ভাটিয়ালি গানের ছন্দ। বাঙালী জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের সমুদ্রসমান ঢেউয়ে আন্দোলিত হয়ে জীবনবাজী রেখে হাতে নিলেন হাতিয়ার। লড়লেন পাকিস্তানীদের বিরুদ্ধে। লড়াই করলেন দেশের স্বাধীনতার জন্য।  রহমানদের মতো লক্ষ যুবকের জীবন বাজি রেখে লড়াইয়ের ফলেই আমরা পেলাম স্বাধীনতা। কথা বলছিলাম এরকম একজন শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহমানের সাথে। 

এর মধ্যে আসে ২৫ মার্চ। ২৫ মার্চের পৃথিবীর ইতিহাসের অন্যতম নিকৃষ্ট গণহত্যার রাতে জ্বলছে ঢাকা শহর। ২৮ এপ্রিল সেই আগুনের লেলিহান শিখায় প্রজ্জলিত হলো সিরাজগঞ্জ। সেদিন পাক আর্মি বগুড়া থেকে তেলকুপি গ্রামের পাশ দিয়ে পাকা রাস্তা ধরে শহরে ঢুকেই গ্রামটি পুড়িয়ে ছারখার করে দিল। পুড়ে গেল আব্দুর রহমানের নিজের বাবা- চাচা আর দাদার স্মৃতি বিজড়িত উত্তর দুয়ারী আর দক্ষিণমুখী এগারটি টিনের ঘর। পাকিস্তানীরা পুড়িয়ে দিল পাশের নওদা তেলকুপি গ্রামের চলচ্চিত্র অভিনেতা সুভাষ দত্তের নানার গ্রাম। গ্রামের জনৈক লুৎফর মেম্বারের আত্মীয়কে পাকি আর্মি ধর্ষণ করে গুলি করে হত্যা করে। দেখলেন নিজ চোখে সেই মৃত মেয়েটির বাম গালে কামড়ের চিহ্ন। আরও দেখলেন নলিছাপাড়া গ্রামের অসুস্থ কালা শুক্কুরের বাড়ী আগুনে জ্বলছে। সেই বাড়ীতে ঢুকে দেখলেন আগুনে পুরে আংগার হয়ে যাওয়া শুক্কর আলীর জীবন্ত দগ্ধ দেহটাকে। এই দু’টি ঘটনা তাকে আগৃনের মতো প্রজ্জলিত করে। 

বাড়ীতে অবসরে ফসলের ক্ষেতে কাজ করতেন আব্দুর রহমান। কিন্ত কাজ করলেও মানসচোখে ভেসে উঠে ওই ধর্ষিত মেয়ে কিংবা শুক্কুর আলীর অঙ্গার হয়ে যাওয়া দেহটাকে।  মনে হলেই চোয়াল শক্ত পাথরের মতো হয়ে ওঠে। মন ছুটে যায় যুদ্ধের জন্য।  ফসলের মাঠে কাজ করতে করতেই একদিন সিদ্ধান্ত নিলেন যুদ্ধে অংশগ্রহনের।  কিন্ত কীভাবে যাবেন? কোথায় যাবেন? বাড়ীর কর্মচারী সমবয়সী জেল হোসেনের সাথে পরামর্শ করলেন। দু’জনই সিদ্ধান্ত নিলেন যুদ্ধে যাবেন। খুঁজতে থাকেন কোথায় গেলে পাওয়া যাবে যুদ্ধের প্রশিক্ষণ। খোঁজও পেয়ে গেলেন। সিদ্ধান্ত নিলেন রৌমারী হয়ে মানকারচর যাবেন। সেখানে যুদ্ধের জন্য ছাত্র-যুবারা সংগঠিত হচ্ছেন। প্রয়োজন হলো পথখরচার অর্থের। তখন তার ছাত্র জীবন, বড় ভাইয়ের ওপর নির্ভরশীল। হাতে টাকাও নেই। জেল হোসেনও কাজ করে তাদের বাড়িতে। তার কাছেও কোন অর্থ নেই। শেষ অব্দি সুযোগ এলো। বড় ভাই পাঠালেন পাওনা টাকা আদায়ের জন্য। সেই টাকা নিয়েই ছুটলেন যুদ্ধের পথে।

বাড়ি থেকে বের হতেই মা টের পেলেন। পিছে পিছে মা কাঁদতে কাঁদতে ছুটলেন। মার চোখ ফাঁকি দিতে পাট ক্ষেতে লুকালেন। পাট ক্ষেতে লুকিয়ে থেকেই দেখলেন মা কাঁদছেন। পরনের শাড়ির আঁচলে চোখের পানি মুছছেন। তা দেখে নিজের চোখেও পানি এলো। শক্ত হলেন। ভাবলেন তিনি তো যুদ্ধে যাবেন। জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করবেন। মায়ের জন্য, দেশের জন্য, দেশের স্বাধীনতার জন্য। এসময় চোখের পানির কাছে পরাজিত হওয়া যাবে না। শেষ পর্যন্ত যুদ্ধে যাবার প্রেরণার কাছে মায়ের চোখের পানি পরাজিত হলো। মায়ের চোখ ফাঁকি দিয়ে ছুটলেন। আগের পরামর্শ মতো গ্রামের এক জায়গায় মিলিত হলেন জেল হোসেন, আনোয়ার, জহুরুল, লুৎফরদের সাথে। পাঁচজনে একসাথে রওনা হলেন যুদ্ধের জন্য। স্বাধীনতার শপথে বলীয়ান হয়ে।
খোঁজ নিয়ে জানলেন সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার শুভগাছা থেকে নৌকায় শরনার্থীরা যমুনা নদী পথে ভারত যায়। সেই অনুযায়ী ওরা ৬ জনে ওসমানের বাড়ি গেলেন। দু’দিন অপেক্ষা করলেন নৌকার জন্য। দু’দিন পর যখন নৌকায় উঠবেন সেই সময় ওসমানের কাছে শুনলেন অশিক্ষিত লোক যাওয়া যাবে না। অশিক্ষিত লোকদের ওখানে গিয়ে কোন কাজ হবে না। সেই কথায় বিশ্বাস করে জেল হোসেন থেকে গেলেন (পরে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিয়েছিলেন)।

ওসমান আর ইসমাইলের সাথে সমন্বয় করে শরনার্থী পাঠাতো। রাতে এলেন ইসমাইল। ইসমাইলের নির্দেশে রহমানসহ চারজনকে চার নৌকায় দিলেন। এবং ইসমাইলের গ্রুপের ১১ জনকে এগার নৌকায় দিলেন। ইসমাইলের নির্দেশিত ব্যক্তিরা ওদের সাথে গেলেন নৌকার যাত্রীদের নিরাপত্তা দেয়ার জন্য।  রাতের আধারে ১১ নৌকায়  রওনা হলো ভারত। পাল তুলে নৌকা ভাসিয়ে দিলো যমুনায়। গন্তব্য রৌমারী হয়ে ভারতের মানকার চরে।

রওয়া হয়ে জানলেন মানকার চর যেতে সময় লাগবে সাত দিন সাত রাত। নদীতে দুদিন পার হবার পর তৃতীয় দিন। তারা তখন বাহাদুরবাদ পার হয়ে তিস্তার-সোনাখালী-জিঞ্জিরার মোহনায়। তখন সূর্য ডুবছে। ১১ নৌকা পড়লো ঝড়ের কবলে।  ঝড়ের ঝাপটায় ১১ নৌকার মধ্যে রহমানদের নৌকা ডুবে গেল। নৌকার আরোহী শরনার্থীদের সব মালামাল ভেসে গেল নদীর পানিতে। নৌকার মাঝি অদ্ভুত দক্ষতায় ডুবন্ত নৌকা আবার পানির ওপরে তুলে ফেললেন। আবার যাত্রা হলো শুরু। নৌকাগুলো যমুনায় পানিতে ছলাৎ ছলাৎ করে ঢেউয়ের তালে তালে বেদের বহরের মতো চলতে লাগলো সামনের দিকে। 

রাতে থামলো একটি চরে। স্মৃতি হাতড়ে মনে করে বললেন, গল্লামাড়ী চর কিংবা চেয়ারমানের চর। সেই চরের কাশবনের ভিতর নৌকা আশ্রয় নিল। নৌকার বাদাম, মাস্তুল খুলে লুকিয়ে রাখলেন সবাই। রাত আনুমানিক এগারটার সময় পাকিস্তানী সেনারা তাদের গানবোটের সার্চ লাইটের আলো ছড়িয়ে চারিদিকে দেখতে লাগলো। কাশবনে লুকিয়ে রাখা নৌকাগুলি তাদের চোখ এড়িয়ে যেতে সক্ষম হলো। রাত শেষে ভোর হলো। নৌকা আবার রওনা হলো। এমনি ভাবে ৬/৭ দিনে পৌঁছলেন রৌমারী। গিয়ে পরিচিত নূর, সোহরাব, সাজাহান এর সহযোগিতায় ট্রেনিং নিলেন ১৫ দিনের। ৪০০ শত মুক্তিযোদ্ধা। একটি মাত্র রাইফেল। মন টিকলো না। প্রশিক্ষণ অসমাপ্ত রেখে চলে আসলেন সিরাজগঞ্জ। এসে যোগ দিলেন স্থানীয়ভাবে গড়ে উঠা ইসমাইলের দলে। 

স্মৃতি হাতড়ে মুক্তিযোদ্ধা রহমান বললেন-স্বাধীনতা বিরোধীদের বিরুদ্ধে অপারেশন শুরু করলাম। দালাল চেয়ারম্যান ও সাধারণ মানুষদের ধন সম্পদলুন্ঠনকারী ডাকাতদের অপারেশন করি। বর্ষার সময়ে রহমতগঞ্জ কবরস্থানে রাজাকারের একটি দলে হামলা করি। সন্ধ্যা নাগাদ যুদ্ধ চলে। গোলাবারুদ ফুরিয়ে গেলে কৌশলগত কারণেই যুদ্ধে ক্ষ্যান্ত দেই। লতিফ মির্জার দলে হয়ে ব্রম্মগাছা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করি। সেটা ছিল আগষ্টের মাসে দিকে। সেসময় ইসমাইল একই সাথে ছিল। গুরুদাসপুর থানার ছাইখোলা কাছে কাছিকাটা রাজাকার ক্যাম্পে হানা দেই। ১১/১২ জন রাজাকার জীবন্ত গ্রেফতার করি। ইতোমধ্যে ইসমাইলের দলে সাথে ভালো না লাগার কারনে ছুটি নিয়ে বাড়ি আসি। পরে যোগ দেই আলাউদ্দিনের দলে।  অক্টোবর কিংবা নভেম্বররে রায়গঞ্জ থানা হামলা করি। নভেম্বর রায়গঞ্জ সিও অফিসে পাক আর্মির ক্যাম্পেস হামলা করি। সে যুদ্ধে ৪/৫ জন পাক আর্মিকে হত্যা করি।

তিনি বলেন, ১১ ডিসেম্বর শৈলাবাড়ী যুদ্ধে অংশ নেই। ৯ তারিখে যুদ্ধ শুরু হয়। এ যুদ্ধের মধ্যদিয়েই পাকিস্তানিদের পরাজিত করে সিরাজগঞ্জ মুক্ত করি। ১৪ ডিসেম্বর আমার প্রিয় শহর সিরাজগঞ্জ মুক্ত হয়। স্বাধীন সিরাজগঞ্জে লাল সূর্য শোভিত স্বাধীনতার পতাকা পতপত করে উড়তে শুরু করে। এসময় পলায়নপর পাকিস্তানী সেনাবাহিনীদের ওপর কালিয়াহরিপুরে হামলা করি এবং একশ পাকি সৈনিকদের গাড়ি কবজা করি। ২ জন পাক আর্মি হত্যা করি। দুইজন পাকি আর্মি গ্রেফতার করি। ঐ দুজন পরে পাকিস্তান ফেরত যায়।

রহমান বলেন, এভাবেই মুক্তিযোদ্ধাদের ক্রমাগত হামলায় দিশেহারা হয়ে অবশেষে বাংলাদেশ-ভারতীয় যৌথ বাহিনীর কাছে পাকিস্তানী বর্বর বাহিনীর পতন হয়। ১৪ ডিসেম্বর মুক্ত হয় সিরাজগঞ্জ। ১৬ ডিসেম্বর ওই ঘৃণ্য পাকিস্তানী বাহিনী আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে সূচিত হয় আমাদের বিজয়। আকাশে উড়তে শুরু করে লাল সবুজের স্বাধীন বাংলার পতাকা। বিশ্বের বুকে প্রতিষ্ঠা লাভ করে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। আমার প্রিয় মাতৃভূমি।

অনুলেখক : ইসমাইল হোসেন, গণমাধ্যম কর্মী

/এসিএন