২০ জানুয়ারিই হবে সিপিবির সমাবেশে বোমা হামলার রায়

Published: Mon, 02 Dec 2019 | Updated: Mon, 02 Dec 2019

অভিযাত্রা ডেস্ক : রাজধানীর পল্টন ময়দানে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সমাবেশে বোমা হামলায় মামলার রায় ঘোষণার জন্য আগামী ২০ জানুয়ারি দিন নির্ধারণ করেছেন আদালত। ২০০১ সালের ২০ জানুয়ারিই সিপিবির সমাবেশে দুর্বৃত্তদের বোমা হামলায় পাঁচজন নিহত এবং ২০ জন আহত হন। ১৮ বছর পর এই মামলার রায় হতে যাচ্ছে।

সোমবার (২ ডিসেম্বর) ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি সালাহউদ্দিন হাওলাদার (পিপি) বলেন, গত রোববার আদালতের বিচারক মো. রবিউল আলম এ দিন ঠিক করেন।

পিপি বলেন, এ মামলায় মোট আসামি ১৩ জন। এঁরা হলেন-মুফতি আবদুল হান্নান, মুফতি মঈন উদ্দিন শেখ, আরিফ হাসান সুমন, মাওলানা সাব্বির আহমেদ, শওকত ওসমান ওরফে শেখ ফরিদ, মো. মশিউর রহমান, জাহাঙ্গীর আলম বদর, মহিবুল মুত্তাকিন, আমিনুল মুরসালিন, মুফতি আবদুল হাই, মুফতি শফিকুর রহমান, রফিকুল ইসলাম মিরাজ ও নূর ইসলাম।

এদের মধ্যে আবদুল হান্নানের অন্য একটি মামলায় ফাঁসি কার্যকর হওয়ায় তাঁকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত। অপর আসামিদের মধ্যে শওকত ওসমান, সাব্বির আহমেদ, আরিফ হাসান সুমন ও মঈন উদ্দিন কারাগারে রয়েছেন। এরা সবাই ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আসামি।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০০১ সালের ২০ জানুয়ারি সিপিবির সমাবেশে দুর্বৃত্তদের বোমা হামলায় পাঁচজন নিহত এবং ২০ জন আহত হন। নিহতরা হলেন খুলনার বটিয়াঘাটার হিমাংশু মণ্ডল, খুলনার রূপসা উপজেলার আবদুল মজিদ, ঢাকার ডেমরার আবুল হাসেম, মাদারীপুরের মোক্তার হোসেন ও খুলনা বিএল কলেজের ছাত্রইউনিয়ন নেতা বিপ্রদাস।

এ ঘটনায় সিপিবির তৎকালীন সভাপতি মনজুরুল আহসান খান বাদী হয়ে মতিঝিল থানায় মামলা করেন। ২০০৩ সালের ডিসেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। এরপর ২০০৪ সালে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলা ও ২০০৫ সালের আগস্টে দেশব্যাপী সিরিজ বোমা হামলা হয়।

এসব ঘটনায় জঙ্গিরা জড়িত বলে প্রমাণ পাওয়ার পর ২০০৫ সালে সিপিবির মামলাটি আবার পুনঃতদন্তের আদেশ দেওয়া হয়। ২০১৩ সালের ২৭ নভেম্বর আদালতে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি অভিযোগপত্র দাখিল করেন সিআইডি পুলিশের পরিদর্শক মৃণাল কান্তি সাহা। পরের বছর ২১ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। ঘটনার ১৯ বছর পর আলোচিত মামলাটির রায় ঘোষণা হতে যাচ্ছে।

এসএ/