লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারির উন্নয়ন ঘটিয়ে রসায়নের নোবেল 

অভিযাত্রা ডেস্ক : লিথিয়াম ব্যাটারি নিয়ে গবেষণা করে রসায়নে নোবেল পেলেন তিন বিজ্ঞানী। তারা হলেন টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের জন বি গুডএনাফ, বিংহ্যামটন বিশ্ববিদ্যালয়ের এম স্ট্যানলি এবং মেইজো বিশ্ববিদ্যালয়ে আকিরা ইয়োশিনো। তাদের সম্মানী হিসেবে ১১ লাখ মার্কিন ডলারও দেওয়া হচ্ছে। 

প্রতিবছর বিজ্ঞান, সাহিত্য ও শান্তিতে বিশেষ অবদানের জন্য নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়। রয়্যাল সুইডিশ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস বুধবার এই তিন বিজ্ঞানীর নাম ঘোষণা করে। এ পর্যন্ত ১৮১ জনকে রসায়নে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। গতবছর রসায়নশাস্ত্রে অবদানের জন্য নোবেল পুরস্কার জেতেন আমেরিকার বিজ্ঞানী ফ্রান্সেস এইচ আরনল্ড, জর্জ পি স্মিথ এবং যুক্তরাজ্যের বিজ্ঞানী স্যার গ্রেগরি পি উইন্টার। ন

লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারির কারণেই বহনযোগ্য ইলেকট্রনিক্স পণ্যের ব্যবহার সহজ হচ্ছে। মোবাইল ফোন, পেসমেকার, ইলেকট্রিক কারের ব্যবহারের পথ তৈরি করেছে লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি। সেই অবদানের কারণেই তিন বিজ্ঞানীকে সম্মানিত করা হয়। ৯৭ বছর বয়সে নোবেল পুরস্কার পেয়ে রেকর্ড করেছেন গুডএনাফ। 

আগামী ১০ অক্টোবর সাহিত্য, ১১ অক্টোবর শান্তিতে ও ১৪ অক্টোবর অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কারজয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে। 

১৮৯৫ সালের নভেম্বর মাসে আলফ্রেড নোবেল নিজের মোট উপার্জনের ৯৪% (৩ কোটি সুইডিশ ক্রোনার) দিয়ে তার উইলের মাধ্যমে নোবেল পুরস্কার প্রবর্তন করেন। এই বিপুল অর্থ দিয়েই শুরু হয় পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, চিকিৎসাবিজ্ঞান, সাহিত্য ও শান্তিতে নোবেল পুরস্কার প্রদান। ১৯৬৮ সালে তালিকায় যুক্ত হয় অর্থনীতি। 

পুরস্কার ঘোষণার আগেই মৃত্যুবরণ করেছিলেন আলফ্রেড নোবেল। আইনসভার অনুমোদন শেষে তার উইল অনুযায়ী নোবেল ফাউন্ডেশন গঠিত হয়। তাদের ওপর দায়িত্ব বর্তায় আলফ্রেড নোবেলের রেখে যাওয়া অর্থের সার্বিক তত্ত্বাবধান করা এবং নোবেল পুরস্কারের সার্বিক ব্যবস্থাপনা করা। বিজয়ী নির্বাচনের দায়িত্ব সুইডিশ অ্যাকাডেমি আর নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটিকে ভাগ করে দেওয়া হয়।
 

/এসিএন