৩০ নভেম্বরের মধ্যে কর্পোরেট সিমের তথ্য হালনাগাদ করতে হবে

Published: Wed, 20 Nov 2019 | Updated: Wed, 20 Nov 2019

অভিযাত্রা ডেস্ক : আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে কর্পোরেট গ্রাহকদের তথ্য হালনাগাদ করতে হবে। মোবাইল অপারেটরদের এ সময় বেঁধে দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। এই সময়ের মধ্যে তথ্য হালনাগাদ করা না হলে সেসব সংযোগ স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেয়া হবে বলে সতকর্তা জারি করা হয়েছে।

বুধবার (২০ নভেম্বর) বিটিআরসি থেকে জারি করা এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনায় এমন তথ্য জানানো হয়। নির্দেশনায় বলা হয়, নির্দেশনা অনুযায়ী যথাযথ প্রক্রিয়ায় সকল কর্পোরেট গ্রাহকদের তথ্য হালনাগাদ করা না হলে কমিশনের নির্দেশনা মোতাবেক মোবাইল অপারেটরসমূহ তার কর্পোরেট গ্রাহকদের সংযোগ স্থায়ীভাবে নিষ্ক্রিয়করণ করতে বাধ্য থাকবে।

নির্দেশনায় আদেশ বাস্তাবায়নে কমিশন সকল কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানকে মোবাইল অপারেটরসমূহকে সহায়তা করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত, নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের নামে ইস্যুকৃত সিম উচ্চ মূল্যে কিনে চাঁদাবাজি, অপহরণকারী ও সন্ত্রাসী কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে এমন অভিযোগের পর এ ধরনের অযাচিত সিম ব্যবহার বন্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করে বিটিআরসি। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে কর্পোরেট সিম নিবন্ধের ক্ষেত্রে পাঁচটি নির্দেশনা জারি করে। এ নির্দেশনাগুলো হলো :

১. কোন প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে সিম বিক্রির ক্ষেত্রে কমিশনের নির্ধারিত ফরম নং ২০১৯১০০০ প্রতিপালন করতে হবে। উক্ত ফরমে উল্লেখিত ধাপ অনুসরণ করে সকল প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদি কমিশনে সশরীরে উপস্থিত হয়ে কমিশনে নির্ধারিত কর্মকর্তার অনুমোদন গ্রহণ করতে হবে।

২. ফরম নং ২০১৯১০০০ অনুযায়ী জমাকৃত আবেদন কেবলমাত্র কমিশনের অনুমোদনের পরই অনুমোদিত ব্যক্তির বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করা সাপেক্ষে অনুমোদিত সিমসমূহ ইটিএসএএফ নির্দেশনা অনুযায়ী বাল্ক নিবন্ধন করে উক্ত প্রতিষ্ঠানকে হস্তান্তর করা হবে।

৩. সকল বিদ্যমান কর্পোরেট গ্রাহকদের ক্ষেত্রে উপরোল্লিখিত পদ্ধতি অনুসরণ করে সংযুক্ত ২০১৯১০০০ অনুসারে প্রয়োজনীয় তথ্য আগামী তিন মাসের মধ্যে কমিশন বরাবর পর্যায়ক্রমে প্রেরণ করতে হবে। কমিশন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এ সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করবে। কোনক্রমেই করপোরেট গ্রাহক যাতে ক্ষতিগ্রস্থ না হয় সেটি নিশ্চিতকল্পে কমিশন সদা তৎপর থাকবে।

৪. কর্পোরেট সিম উত্তোলন, প্রতিস্থাপন, হস্তান্তর এবং নিস্ক্রিয়করণের সকল ক্ষেত্রে অনুমোদিত ব্যক্তির আঙ্গুলের ছাপ বাধ্যতামূলক করা হলো।

৫. সঙ্গত কারণে সশস্ত্র বাহিনী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং গোয়েন্দা সংস্থা উক্ত নির্দেশনার আওতামুক্ত থাকবে।

এসএ/