উবারে মাসে গড়ে ২০ টি ধর্ষণের অভিযোগ করেন মার্কিনিরা

Published: Sat, 07 Dec 2019 | Updated: Sat, 07 Dec 2019

অভিযাত্রা ডেস্ক : ২০১৮ সালে রাইড শেয়ারিং সেবার সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তিন হাজারের বেশি যৌন হয়রানির অভিযোগ পেয়েছে উবার। বৃহস্পতিবার মার্কিন নিরাপত্তা প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে রাইড শেয়ারিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানটি। কয়েক বছর ধরেই ব্যক্তিগত নিরাপত্তার বিষয় নিয়ে সমালোচনার মধ্যে রয়েছে উবার এবং লিফটের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উবারের রাইডার এবং চালকের পক্ষ থেকে যৌন হয়রানির মামলার সংখ্যাও বাড়তে দেখা গেছে --খবর সিএনবিসি’র। ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রে রাইড চলাকালীন ২৩৫টি ধর্ষণের অভিযোগ পেয়েছে উবার। সে হিসাবে প্রতি মাসে দেশটিতে গড়ে ২০টি ধর্ষণের অভিযোগ পেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। ২০১৭ সালে ধর্ষণের অভিযোগ ছিলো ২২৯টি।

উবারের প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে রাইড শেয়ারিং প্রতিষ্ঠানটির চালক এবং যাত্রী উভয়েই।

উবারের প্রতিবেদনে বলা হয়, যৌন হয়রানির সবচেয়ে গুরুতর পাঁচটি শ্রেণীতে যে অভিযোগগুলো পাওয়া গেছে তার মধ্যে ৪৫ শতাংশই রাইডারের বিরুদ্ধে। আর ধর্ষণের অভিযোগগুলোর ৯২ শতাংশ এসেছে চালকের বিরুদ্ধে।

প্রতিবেদনে উবারের প্রধান আইন কর্মকর্তা টনি ওয়েস্ট বলেন, ‘জটিল নিরাপত্তার বিষয়গুলো নিয়ে সেচ্ছায় বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশের বিষয়টি সহজ নয়।’

যৌন হয়রানি বন্ধে উবার বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে বলেও জানিয়েছেন ওয়েস্ট-- উবার রাইড-হেইলিং ব্যবসার নিরাপত্তার জন্য আজ ৩০০ কর্মী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। চালকের অতীত রেকর্ড যাচাই আরও কঠোর করা হচ্ছে, “নিয়মিতভাবে নতুন অপরাধ কর্মকা- খতিয়ে দেখা।” যাত্রার সময় অপ্রত্যাশিত দীর্ঘ বিরতি শনাক্ত করতে পারলে গ্রাহককে পর্যবেক্ষণের প্রযুক্তি যোগ করা হয়েছে।

যাত্রা শেষ হওয়ার আগেই রাইডার যাতে নিরাপত্তার বিষয়ে অভিযোগ জানাতে পারেন সে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। “ইন-অ্যাপ ইমার্জেন্সি বাটন” এর মতো নতুন নিরাপত্তা ফিচার যোগ, আর সরাসরি উবার অ্যাপ থেকেই জরুরী সেবা ৯১১ কর্মীদেরকে বার্তা পাঠানোর ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

এসএ/