বাংলাদেশিদের আর অন-অ্যারাইভাল ভিসা দিবে না ভুটান

Published: Sat, 23 Nov 2019 | Updated: Sat, 23 Nov 2019

অভিযাত্রা ডেস্ক : এদেশের পর্যটকদের পছন্দের তালিকার অন্যতম শীর্ষ একটি দেশ ভুটান। হিমালয়ের দক্ষিণ-পূর্ব কোলের এ দেশটির দেয়া কিছু সুযোগ-সুবিধার কারণে বাংলাদেশিদের কাছে তা আরো আকর্ষণীয়। এর মধ্যে ভুটানে যেতে ভিসা না লাগার ব্যাপারটি একবারে শীর্ষে রয়েছে। দেশটিতে অন-অ্যারাইভাল ভিসা পায় বাংলাদেশি পর্যটকরা।

অবশ্য শুধু বাংলাদেশই নয়, ভুটানে অন-অ্যারাইভাল ভিসা সুবিধা পেয়ে আসছে ভারত এবং মালদ্বীপও। তবে এবার সব ক’টি দেশের জন্যই অন-অ্যারাইভাল ভিসা সুবিধা তুলে নেয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে ভুটান। যার ফলে, দেশটি ভ্রমণে যাওয়া বাংলাদেশ, ভারত ও মালদ্বীপের পর্যটকদের ফি বাড়ছে।

ভুটানে মাত্রাতিরিক্ত পর্যটক আসায় কিছু নীতিতে পরিবর্তন আনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে আছে বাংলাদেশ, ভারত ও মালদ্বীপের জন্য অন-অ্যারাইভাল ভিসা সুবিধা তুলে নেয়া। এই সুবিধা তুলে নিলে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশি পর্যটকদেরও ভুটানের ভিসার জন্য আগেই আবেদন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে লাগবে বাড়তি ফি, যার পরিমাণ একেবারে কমও নয়।

জানা গেছে, ভুটান ভ্রমণের জন্য অন্য দেশের পর্যটকদের প্রতিদিন ২৫০ মার্কিন ডলার (২১ হাজার ২৫০ টাকা প্রায়) পরিশোধ করতে হয়, যার মধ্যে ৬৫ ডলার টেকসই উন্নয়ন ফি ও ৪০ ডলার ভিসা ফি। নতুন নিয়ম চালু হলে ভুটান যেতে অন্য দেশগুলোর মতোই উপমহাদেশের এই তিন দেশের পর্যটকদেরও ভিসা ফিসহ আগেই আবেদন করতে হবে।

পাশাপাশি উন্নয়ন ফি-এর জন্য প্রতিদিন গুণতে হবে ৬৫ ডলার বা পাঁচ হাজার ৬০০ টাকার মতো। অর্থাৎ, কেউ একদিনের জন্য ভুটান গেলে তাকে ভিসা ফির তিন হাজার ৪০০ টাকা (৪০ ডলার) ও উন্নয়ন ফির পাঁচ হাজার ৬০০ টাকাসহ অন্তত ৯ হাজার টাকা অবশ্যই পরিশোধ করতে হবে।

ধারণা করা হচ্ছে, ভুটানের ট্যুরিজম কাউন্সিলের খসড়া এই পর্যটন নীতি ডিসেম্বরে চূড়ান্ত হবে। সে হিসেবে ২০২১ সাল থেকেই বাড়তি ফি দিয়ে ভুটান ভ্রমণ করতে হবে বাংলাদেশিদের।

২০১৮ সালে দেশটি ভ্রমণে যান মোট ২ লাখ ৭৪ হাজার পর্যটক। এর মধ্যে দুই লাখই এ উপমহাদেশের, এদের ১ লাখ ৮০ হাজারই আবার ভারতীয়!

এসএ/