পরিবেশ অধিদফরের মহাপরিচালককে ডেকেছে হাইকোর্ট

Published: Mon, 13 Jan 2020 | Updated: Mon, 13 Jan 2020

অভিযাত্রা ডেস্ক : নির্মল বায়ু ও পরিবেশ রক্ষায় বিশ্ব ব্যাংকের ৩০০ কোটি টাকার প্রকল্পের ব্যয় সম্পর্কে জানাতে পরিবেশ অধিদফতরের মহাপরিচালককে তলব করেছেন হাইকোর্ট। আগামি ২ ফেব্রুয়ারি তাকে আদালতে সশরীরে হাজির হয়ে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আদালতে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

এ সংক্রান্ত রিটের শুনানিকালে সোমবার (১৩ জানুয়ারি) বিচারপতি এফআরএম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কেএম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবিএম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার। আর সিটি করপোরেশনের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট সাইদ আহমেদ রাজা।

পরে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবিএম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার সাংবাদিকদের বলেন, নির্মল বায়ু ও পরিবেশ রক্ষায় বিশ্ব ব্যাংকের ৩০০ কোটি টাকার যে প্রকল্প ছিল, সে প্রকল্প পরিবেশ অধিদফতর কীভাবে ব্যয় করেছে, পরিবেশ উন্নয়নে কী ধরনের ভূমিকা রেখেছে, এতে জনগণ কী ধরনের সুফল পাচ্ছে, অর্থাৎ পুরো প্রকল্পের টাকা কীভাবে ব্যয় হয়েছে, তা সবিস্তারে ব্যাখ্যা দিতেই তাকে তলব করেছেন আদালত।

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ২৭ জানুয়ারি হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে রিট আবেদনটি দায়ের করেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। সেই রিটের শুনানি নিয়ে ওই একই বছরের ২৮ জানুয়ারি রাজধানী ঢাকার বায়ুদূষণ বন্ধে রুল জারি করেন হাইকোর্ট।

রুল জারির পাশাপাশি বায়ুদূষণ রোধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে অন্তর্বতীকালীন আদেশও দেন। ১৫ দিনের মধ্যে রাজধানীর যেসব এলাকায় উন্নয়ন কর্মকাণ্ড চলছে, যেসব এলাকা ঘেরাও করে পরের দুই সপ্তাহের মধ্যে এ বিষয়ে আদালতকে অবহিত করতে নির্দেশ দেওয়া হয়।

এছাড়া, পরিবেশ অধিদফতরের মহাপরিচালক ও ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের নির্বাহী কর্মকর্তাদেরকে ওই আদেশ পালন করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়। এরপর ২০১৯ সালের ১৩ মার্চ ঢাকার বায়ুদূষণের মাত্রা পরিমাপ করে এবং দূষণ রোধে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা প্রতিবেদন আকারে দাখিল করতে পরিবেশ অধিদফতরের মহাপরিচালককে নির্দেশ দিয়েছিলেন আদালত। পরে চলতি বছরের ৬ জানুয়ারি হাইকোর্টে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনটি দাখিল করা হয়।

এসএ/