সাহিত্য

নিখোঁজ সুখ

নবারুণ বিশ্বাস

বিশ্রাম নিতে ভুলে গেছে এ পৃথিবী।
বিশ্রাম নিতে ভুলে গেছে পৃথিবীর মানুষগুলো,
বৈচিত্রময় সুখের ঠিকানা খুঁজে খুঁজে হয়রান
তবুও ক্লান্তি নেই -এই বুঝি ধরা দিল।

কি ভয়ানক অভিশপ্ত জীবনযাপন চলছে অবিরাম,
সকল সম্ভবের আবাসস্থল আজ এই বিশ্বধাম।
অন্যের রক্ত ঝরলে ঝরুক-কিবা আসে যাই,
নিজেকে সুখী হতেই হবে-এর কোনো বিকল্প নাই।

বৃষ্টি বিলাশ

শ্রাবন্তী সুলতানা

যা বৃষ্টি ঝরে যা
চোখের পাতা ছুঁয়ে যা
প্রাণ ভরে তুই ভিজিয়ে দিয়ে যা।

তোর ফাগুনের ফুল মেলায়
সবুজ সবুজ অবুঝ গাঁয়ে
দল মেলেছে দেখবি যদি আয়।

আয় বৃষ্টি খেলে যা
জুড়িয়ে দে আজ মন জ্বালা
আগুন ঝড়া দুঃখ গুলো ধুয়ে দিতে আয়

শুভ্র প্রেম

নবারুণ বিশ্বাস
তোমার শুদ্ধ প্রেমের অমৃতসুধা পান,
এ যেন সহস্র বৎসর ধরে জমে থাকা-
অভিমানের নীরব অবসান।
সম্মুখে দাড়িয়ে তোমার-
নিত্য পরাজয় মানি,
গোপন পদচারণায় মুখরিত- 
আজি হৃদয় আঙিনাখানি।
সভ্যতার এ কোন্ জগতে- 
আমাকে জানালে আহ্বান,
চিরনব সাজে সজ্জিত হয়ে- 
ধরনী মারিছে বান।
প্রেমরসে পরিপূর্ণ তী্রে-

আমরা সবাই রাজা

সাদিয়া আফরিন মৌরি : ঘুম থেকে উঠে ভোরের আকাশ দেখার মধ্যে আলাদা সৌন্দর্য্য আছে। সে সময়টা বড় অদ্ভুত। আধো আলোয় মৃদু বাতাসে পাখিদের ঢিলেঢালা ভঙ্গিতে ঘর ছেড়ে বের হওয়া, চারপাশের শান্ত আবহাওয়া জিজীবিষাকে বাড়িয়ে দেয় বহুগুণ। প্রতিদিন এমন সময় ঘুম ভাঙ্গে মতির। ঘুম ভাঙ্গলেও সে শোয়া থেকে ওঠে না। আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকে। মাথার ওপর খোলা আকাশ তার। ফুটপাতের ছোট্ট বিছানাটাতে পাশেই ঘুমিয়ে থাকে

নবজাগরণ

জান্নাতুল ফেরদৌস

কাঁটার আঘাত সয়েই জানা যায়
গোলাপ সভ্যতার সৌন্দর্য
সোনাও যে পুড়ে পুড়েই হয় খাঁটি।
শান্তিটাও তো তেমনই... 
সে-ও আসবে।
কারণ যে আসতে চায়... 
সে কোন কারণ বা সমস্যা দেখায় না....
সে যেকোন কিছুর বিনিময়ে হলেও চলে আসে।

আত্মশুদ্ধি

 নবারুণ বিশ্বাস 

 

বহুকালব্যাপী রক্ত মাংসে
গড়া দেহ নিয়ে,
করি বসবাস এ ভূমন্ডলে।
নিজের আছে সব-
তবুও পরেরগুলো ছিনিয়ে নিতে
উন্মত্ত সকলে।।
কা্র কি কারনে রক্তের নেশা
বোঝার উপায় নাই,
সভ্য জগতে অসভ্যতা -
চঞ্চল পশু যেন সবর্দা
শিকারের অপেক্ষায়।।
আসার সময় যে প্রতিস্রুতি
দিয়েছিলাম তাঁরে,