অভিযাত্রা প্রসঙ্গ

Published: Sun, 07 Apr 2019 | Updated: Sat, 06 Jul 2019

আমরা যখন এই অভিযাত্রা ডটকম নামের অনলাইন পত্রিকাটি প্রকাশনার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি তখন আমরা দেখেছি যে জাতীয় পর্যায়ে প্রায় শতাধিক দৈনিক পত্রিকা প্রকাশিত হচ্ছে এবং অসংখ্য অনলাইন পোর্টাল নিয়মিত সংবাদ পরিবেশন করছে। কিন্তু এই সব পত্র-পত্রিকা মুলত: জাতীয় আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদ পরিবেশন করছে একটু মনোযোগী হলে দেখা যায় যে, এই সব পত্র পত্রিকা গুলোতে শিশুর অংশগ্রহণ এবং শিশু সংক্রান্ত সংবাদ নেই বললে চলে। শিশুদের নিয়ে যা প্রকাশিত হয় তা ধর্ষন হত্যা নির্যাতন সংক্রান্ত, অর্থাৎ শুধুই নেতিবাচক সংবাদ। শিশু বিবাহ ও শ্রম নিরসনে লাগাতার কোন পরিবেশনা নেই। যা প্রকাশিত হয় ঘটনা নির্ভর বা অনুষ্ঠান নির্ভর সংবাদ বা ফিচার। উল্লেখ্য যে জাতীয় পত্র পত্রিকায় প্রতি সপ্তাহে শিশুদের যে পাতা প্রকাশ করা হয় তা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল।

বাংলাদেশের বর্তমান জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক শিশু-কিশোর। এই সকল শিশুর মধ্যে পরিবারে বড় হওয়া শিশুর সংখ্যাই বেশি অন্যদিকে বিআইডিএস ২০০৪ এর তথ্যমতে ২০১৪ সালে পথশিশুর সংখ্যা ১১৪,৪৭৫৪ এবং ২০২৪ সালে এই সংখ্যা গিয়ে দাড়াবে ১৬১,৫৩৩০ ( সূত্র: Estimation of the Size of Street Children and their Projection for Major Urban Areas of Bangladesh 2004’commissioned to BIDS by ARISE) । অন্যদিকে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ২০১৩ সালের শিশুশ্রম জরিপের তথ্য অনুযায়ী ৫-১৭ বছর বয়সী কর্মক্ষম শিশুর সংখ্যা ৩৪.৫০ লাখ। এদের মধ্যে ১৭ লাখ শিশুকে শ্রমজীবি শিশু হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে, যা কর্মক্ষম শিশুর প্রায় শতকরা ৪৯ ভাগ। উক্ত ১৭ লাখ শ্রমজীবি শিশুর মধ্যে ১২ লাখ ৮০ হাজার শিশু বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত রয়েছে। এসব শিশু ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত থাকার কারণে তাদের শারীরিক,মানসিক ও নৈতিক বিকাশ ব্যাহত হচ্ছে এবং শিক্ষার সুযোগ হতে বঞ্চিত হচ্ছে।

সরকারের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার অন্যতম লক্ষ্য হলো ২০২১ সালের মধ্যে দেশ থেকে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম নিরসন করা এবং ২০২৫ সালের মধ্যে দেশথেকে সকল প্রকার শিশুশ্রম নিরসন করা। তাছাড়া দেশের ১৭টি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার ( এসডিজি) ৮ নম্বর লক্ষ্যমাত্রা হচ্ছে শিশুশ্রম নিরসন করা।

শিশু বিবাহের শিকার শিশুর সংখ্যা অগোচরে বেড়েই চলছে। সচেতনতার অভাবে বিদ্যমান আইন তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পারছে না। শিশু সংক্রান্ত বিষয়ে সরকারের বিদ্যমান আইন ও পলিসি সমূহের ব্যাপক প্রচার ও প্রচারনা এখন সময়ের গুরুত্বপূর্ণ দাবী। শিক্ষা বিষয়ে সরকারের উদ্যোগ সর্বজন স্বীকৃত। সারা দেশে একই সাথে একই দিনে সকল ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে পাঠ্যপুস্তুক বিতরন একটি অনন্য দৃষ্টান্ত। যা বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকর্ষন করেছে। কিন্তু পাঠদান ও পাঠ ব্যবস্থাপনার আরো উন্নয়ন প্রয়োজন। শ্রেণী কক্ষের শিক্ষা মানসম্মত না হওয়ায় কোচিং বানিজ্য শিক্ষার মূল ধারাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছে এবং যে ভাবে শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করছে তা সচেতন সকল মহলকে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। কোচিং বানিজ্যের শেষ কোথায় আমরা কেউই জানিনা।

আমাদের তরুন প্রজন্ম মাদকের ভয়াবহ আক্রমনের শিকার। মাদক সেবীদের বড় অংশ কিশোর -তরুন। জাতির ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ধ্বংস করে দেয়ার জন্য একটি গোষ্ঠী সুকৌশলে তরুন সমাজের মধ্যে প্রবেশ করছে। চিন্তার বিষয় হচ্ছে মাদক শুধু কি অসৎপথে অর্থ উপার্জনের একটি মাধ্যম না তার সাথে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী রাজনীতির বিষয়টিও সম্পৃক্ত। বিষয়টিকে দুই ভাবেই ভাবতে হবে। মাদক যদি শুধু বানিজ্য হয়, তবে তা বন্ধ করা কঠিন নয় যদি এর সাথে অপরাজনীতি যুক্ত থাকে তবে রাষ্ট্রীয়ভাবে ব্যাপক সচেতনতা এবং প্রতিরোধের কার্যক্রম পরিচালনা করা জরুরি।

জনসংখ্যার অর্ধেক জনগোষ্ঠীকে পিছনে রেখে বৃহত্তর উন্নয়ন টেকসই হতে পারে না। আমরা মনে করি আমাদের শিশু-কিশোরদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গড়ে তুলতে হবে। শিশুদের কাছে বার বার মুক্তিযুদ্ধের চেতনা তুলে ধরতে হবে। ত্রিশ লক্ষ শহীদ ও দুই লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে আমাদের স্বাধীনতা। এই স্বাধীনতাকে অর্থবহ এবং সমৃদ্ধ জাতি গঠনে কিশোর, তরুন প্রজন্মকে প্রতিনিয়ত উদ্বুদ্ধ করতে হবে। বর্তমান আইসিটি যুগ ক্রমান্বয়ে সবকিছুকে অনলাইনের উপর নির্ভরশীল করে তুলেছে এবং করাও দরকার। আমাদের দেশের জনগণ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষ হয়ে উঠছে। ইঞজঈ-এর মতে ১৩০ মিলিয়ন মানুষ মোবাইল ফোন এবং ৬২ মিলিয়ন মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। এবং মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহার করছে ৫৮ মিলিয়ন। শিশু কিশোরদের কতসংখ্যক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করেছে তার পরিসংখ্যান না থাকলেও অনুমান করা যায় যে, যেহেতু জনসংখ্যার অর্ধেক শিশু, এই শিশুদের বড় একটি অংশ এই প্রযুক্তি ব্যবহারে অভ্যস্থ। ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিশ্ব আজ হাতের মুঠোর মধ্যে। এক ক্লিকেই জ্ঞান বিজ্ঞানের নানা তথ্য হাজির হয়। এটা শিশু-কিশোর ও যুবগোষ্ঠীর মানসিক বিকাশে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি এর অপব্যবহার নানামুখী সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। সে জন্য শিশু কিশোরদের কাছে তথ্য প্রযুক্তির কল্যানকর ও বিপদজ্জনক দিক তুলে ধরা বড়দের কর্তব্য। তথ্য প্রযুক্তির দুয়ার সবার জন্য অবধারিত। এর যথাযথ ব্যবহারে মেধা ও মননের বিকাশ ঘটবে এবং দেশকে ক্রমান্বয়ে সমৃদ্ধতর করে তুলবে। সে জন্য চাই তথ্যপ্রযুক্তির অবাধ ব্যবহার এবং ব্যবহারকারীদের মধ্যে চাই ইতিবাচক সচেতনতা। এই দুয়ের মধ্যে চাই নিবিড় সেতু বন্ধন।

সেদিক বিবেচনায় আমাদের শিশু-কিশোর তরুনরা যাতে তাদের এই বয়সেই অন লাইনের ইতিবাচক ব্যবহার জানে, শেখে ও ব্যবহার করে সে ধারনা গুলো মাথায় রেখে অভিযাত্রা ডট কম যাত্রা শুরু করছে।

“অভিযাত্রা ডট কম” সকল ধরনের লেখা ছবি তথ্য এমন ভাবে উপস্থাপন করা হবে যাতে অভিযাত্রা ডট কম প্রতিদিনের পাঠাভ্যাসের একটি অংশ হয়ে উঠে। শিশু, কিশোর ও তরুন সমাজের মানসিক বিকাশে এবং প্রতিযোগীতার বাজারে তারা যেন নিজেকে তথ্যসমৃদ্ধ করতে পারে ও গুনগত মান ভান্ডার গড়ে তুলতে পারে।

অন্যদিকে শিশু সংক্রান্ত প্রায় সকল বিষয়ে সমাজের নেতিবাচক দৃষ্টি ভঙ্গি পরিবর্তনের কাজটিও অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শিশুর সুরক্ষা,বিকাশ ও উন্নয়নে নানাবিধ ঘোষণা ও উদ্যোগ আমাদের উদ্যোগের যৌতিকতা প্রাসাঙ্গিক করে তুলেছে। আমরা বিশ্বাস করি “অভিযাত্রা ডট কম” ক্রমান্বয়ে একটি ভিন্নধর্মী উন্নয়নমুখী পোর্টাল হিসাবে শিশু-কিশোর ও তরুন সমাজের মানসিক চাহিদা মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে এবং পশ্চাৎপদ নৃগোষ্ঠীর শিশুরাও আলোকিত হয়ে সমাজের মূল¯্রােত ধারায় সম্পৃক্ত হয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বির্নিমানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে।


অভিযাত্রার সহযোগী


শোভা আক্তার

সুবিধাবঞ্চিত শিশু কিশোরদের প্রতিনিধি। জীবনদক্ষতা ও শিশু অধিকার বিষয়ে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। একটি বেসকারি উন্নয়ন সংস্থায় চাইল্ড এক্সপার্ট হিসাবে মনোনীত। পড়াশুনার পাশাপাশি নাচ, গান, নাটক, ছবি আঁকা ও উপস্থাপনায় বিশেষভাবে পারদর্শী। এ পর্যন্ত থানা ও জেলা পর্যায়ের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বেশ কিছু পুরষ্কার অর্জন করেছে। অবসরে ঘুরে বেড়ানো, গান শোনা তার শখ। বর্তমানে বেগম বদরুন্নেসা সরকারী মহিলা কলেজে মানবিক শাখায় প্রথম বর্ষের ছাত্রী।


মাশরাফি মাহিরুফ রহমান

ঢাকা রেসিডেনশিয়াল মডেল কলেজের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র। স্কুলের নানান অনুষ্ঠানে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করে। নতুন নতুন আইডিয়া নিয়ে বন্ধুদের সাথে আড্ডায় সে মধ্যমণি। খেলাধুলার পাশাপাশি কার্টুন দেখা ও মাঝে মাঝে বইপড়া তার বিনোদনের মাধ্যম। ফটোগ্রাফি তার শখ। বিভিন্ন ফটোগ্রাফি প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণ করে ইতিমধ্যে কয়েকটি পুরষ্কার অর্জন করেছে।


সাফিয়া সামী

উন্নয়নকর্মী হিসেবে দীর্ঘ অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ। দেশবিদেশ ভ্রমণ করেছেন বেশ কয়েকবার। বাণিজ্যিক যৌন শোষণের বিরুদ্ধে শিশুকিশোরদের সচেতন ও সংগঠিত করার কাজে বিশেষভাবে অভিজ্ঞ। এছাড়াও সুবিধাবঞ্চিত ও বস্তিবাসী শিশুসহ পতিতালয়ের মায়ের শিশুদের নিয়ে কাজ অন্যতম। কর্মজীবনের পাশাপাশি নানা ধরণের সামাজিক কাজ ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। বর্তমানে একটি বেসরকারী উন্নয়ন সংর্স্থায় কর্মরত।


ফেরদৌসি সুলতানা

তিনি হ্যাপী হিসেবে বরিশালে পরিচিত। দক্ষিণাঞ্চলের প্রান্তিক জনগোষ্ঠী বিশেষ করে নারী ও শিশুদের নিয়ে কাজের অভিজ্ঞতা দীর্ঘদিনের। বরিশালে বেশ কয়েকটি সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে যুক্ত। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সুরক্ষা ও বিকাশে নিবেদিত। বর্তমানে তিনি একটি বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থায় কর্মরত।


রিফাত রহমান তানভীর

লেখাপড়া কম্পিউটার বিজ্ঞান বিষয়ে। শিশুদের নিয়ে কাজ করতে ভালবাসেন বলে বর্তমানে উন্নয়নকর্মী হিসেবে একটি বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থায় কর্মরত। জাতীয় পর্যায়ের এনজিও ও সরকারের নানা প্রকল্পে কাজের অভিঞ্জতা এবং প্রশিক্ষন রয়েছে । কর্মসূত্রে পথশিশু, বস্তিবাসী, বানিজ্যিক ও যৌন নির্যাতনের শিকার শিশু, ভিক্ষুক, তৃতীয় লিঙ্গসহ প্রান্তিক জনগোষ্ঠির সাথে মেশার সুযোগ হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও মুভমেন্ট-এর সাথে জড়িত। সামাজিক ট্যাবু ও উন্নয়ন নিয়ে কথা বলতে পছন্দ করেন। চেষ্টা করেন সুস্থ সংস্কৃতি চর্চা ও ভ্রমনের।


চৌধুরী মোহাইমেন রিপন

সুবিধাবঞ্চিত শিশুর জীবন মান উন্নয়নের লক্ষ্যে দীর্ঘ দুই যুগ পূর্বে আন্তর্জাতিক সংস্থায় উন্নয়ন কর্মী হিসেবে কাজে যোগদান করেন। উপ-আনুষ্ঠানিক শিক্ষা ইনক্লুসিভ শিক্ষা কার্যক্রম ও শিক্ষা উপকরণ উন্নয়নসহ শিশুর জন্য সেবা দেবার লক্ষ্যে কর্মরত সরকারী ও বেসরকারী কর্মীর দক্ষতা উন্নয়নের জন্য জাতীয় পর্যায়ে প্রশিক্ষক হিসাবে নানান ধরণের প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ে কাজ করছেন। পাশাপাশি নানা ধরণের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত আছেন। সামাজিক যোগাযোগ রক্ষা করা ও কাজের ফাঁকে দল বেধে ঘুড়োনো তার শখ। বন্ধুদের আড্ডায় তিনি মধ্যমণি। নেতৃত্বের গুণাবলি তার বিশেষত্ব। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ সরকারের শিশু সুরক্ষা প্রকল্পের কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত আছেন।


আহমেদ ইমতিয়াজ জামী

একটি স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর শিক্ষা দক্ষতা উন্নয়নে তার প্রতিষ্ঠানের কাজ বেশ উল্লেখযোগ্য। প্রতিষ্ঠানের বৈশিষ্ট্য হলো তরুণ ছাত্র ও যুব সমাজকে স্বেচ্ছাশ্রমে উদ্বুদ্ধ করে সামাজিক দায়বদ্ধ নাগরিক তৈরী করা। সারাদেশে প্রায় ৩৫০০ তরুণছাত্র ও যুবক প্রতিষ্ঠানের কাণ্ডারী হিসেবে নিবেদিত। তিনি ব্যক্তিগতভাবে কম্পিউটার প্রকৌশলী।


প্রদীপ ঘোষ

চিত্রশিল্পী হিসেবে পরিচিত। বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে যুক্ত। সাংস্কৃতিক আন্দোলনে নিবেদিতপ্রাণ। বিভিন্ন সময়ে তার একক চিত্র প্রদর্শনী বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছে। রংতুলির পাশাপাশি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ ও গবেষণা করছেন। লেখালেখি তার শখ। তার নির্মিত পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘শাটলট্রেন’ অতি সম্প্রতি মুক্তিলাভ করেছে।